ফের পিছোতে পারে SIR প্রক্রিয়া! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে অনিশ্চিত

Published on:

Published on:

SIR Voter List Finalization May Be Delayed Due to Supreme Court Guidelines
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের জন্য আবারও বড় খবর। ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিশেষ “নিবিড় সংশোধন” প্রক্রিয়ার সময়সীমা বদলাতে পারে। সেই সঙ্গে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনও স্থগিত হতে পারে। যদিও এখনও কমিশন থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একাধিক নির্দেশিকা মানতে গিয়ে বাংলায় এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় সময় বাড়তে পারে।

পরিবর্তিত হতে পারে চূড়ান্ত তালিকা (SIR) প্রকাশের তারিখ

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ১৪ ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশের কথা থাকলেও, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার (SIR) কারণে সময়সীমা বাড়তে পারে। প্রথমবার সময়সীমা বাড়ানোর পর কমিশন ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা করেছিল। সেই অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি শুনানির শেষ দিন নির্ধারিত ছিল।

কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আদালত একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বিশেষভাবে নির্দেশ দিয়েছে, যে ভোটাররা শুনানিতে ডাক পেয়েছেন, তাদের তালিকা ওয়ার্ড ও পঞ্চায়েত পর্যায়ে টাঙানো হবে এবং ভোটারদের তথ্য জমা নেওয়ার পর রিসিভ কপি দেওয়া হবে। এই সব নির্দেশিকা মেনে চলতে গেলে সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে। তাই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের তারিখ পরিবর্তিত হতে পারে। সূত্রের খবর, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, খসড়া ভোটার তালিকা ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়েছিল। ১৬ ডিসেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি জানানোর প্রক্রিয়া চলেছে। একই সঙ্গে ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হেয়ারিং প্রক্রিয়া চলার কথা। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশের কথা থাকলেও, তা হবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

Supreme Court Issues Strong Law & Order Directive During SIR in Bengal

আরও পড়ুনঃ SSC নিয়োগে ‘১০ নম্বর’ কতটা ন্যায্য? হাই কোর্টে শুনানিতে নতুন মোড়

এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করে এসেছেন যে সময়সীমা বিবেচনা করে প্রক্রিয়াটি এগোতে হবে। তিনি এক চিঠি লিখে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে আবেদন করেছেন। কিন্তু এখনো কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।