শুরুতে ‘রাজ্য সঙ্গীত’, শেষে ‘জাতীয় সঙ্গীত’! রাজ্য সরকারের নয়া নিয়ম ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

বাংলা হান্ট ডেস্ক : এবার থেকে রাজ্য সরকারের (Government Of West Bengal) যে কোনও অনুষ্ঠানেই বাধ্যতামূলক করা হল রাজ্য সঙ্গীত (Rajya Sangeet)। বছর শেষে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সরকার জানিয়েছে, এবার থেকে যে কোনও সরকারি অনুষ্ঠানেই গাইতে হবে রাজ্য সঙ্গীত। শনিবার এই মর্মে এক নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন। সেখানে আরও বলা হয়েছে যে, এবার থেকে পয়লা বৈশাখ দিনটিকেই রাজ্য দিবস হিসেবে পালন করা হবে।

   

এইদিন মুখ্যসচিবের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যের গরিমা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কথা মাথায় রেখেই পশ্চিমবঙ্গের ‘রাজ্য দিবস’ ও ‘রাজ্য সঙ্গীত’ চালু করার কথা ভাবা হয়েছে। তাই এবার থেকে রাজ্যের যে কোনও অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধার সঙ্গে ‘রাজ্য সঙ্গীত’ এবং বছরের প্রথম দিনটি অর্থাৎ পয়লা বৈশাখকে ‘রাজ্য দিবস’ বলে পালন করতে হবে।

নবান্নের নয়া নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, যে কোনও অনুষ্ঠান শুরু হবে ‘রাজ্য সঙ্গীত’ দিয়ে। ১ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড ধরে এই সঙ্গীত গাওয়ার পর শুরু হবে জাতীয় সঙ্গীত। এবং এই দুটি গান গাওয়ার সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রত্যেককেই উঠে দাঁড়াতে হবে এবং ভক্তিভরে গান গাইতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে এই নির্দেশ যদিও আগেই চলে এসেছিল আর এবার সেটাই বাস্তবায়িত করল নবান্ন।

আরও পড়ুন : বারাণসীতে নরেন্দ্র মোদীকে চ্যালেঞ্জ কুস্তিগীর সাক্ষীর! নাম প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা তুঙ্গে

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বহুদিন আগেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু…’, গানটাকে ‘রাজ্য সঙ্গীত’ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি বছরই সেই প্রস্তাব পাশ হয় বিধানসভায়। এরপর তার বাস্তবায়ন করা ছিল কেবল সময়ের অপেক্ষা। আর বছর শেষে সেটাও হয়ে গেল।

আরও পড়ুন : উজ্জ্বলা গ্যাসে ‘ভগবান’ মোদীকে চা করে খাওয়ালেন দলিত গৃহিনী! চমকে দেবে এই মহিলার পরিচয়

যদিও মুখ্যমন্ত্রী এই গান ইতিমধ্যেই বহুবার বহু জায়গায় গেয়েছেন। রাজ্যের একাধিক অনুষ্ঠানে তার গলায় শোনা গেছে ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু’ গানটি। এর আগে শিল্প সম্মেলনে গিয়েও রাজ্য সঙ্গীত গান মুখ্যমন্ত্রী। বাদ যায়নি ২৯তম চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও। সেখানে বলিউডের তাবড় তাবড় শিল্পীরাও উঠে দাঁড়িয়েছিলেন এই গান গাওয়ার জন্য। আর এবার সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বাংলার মাটিকে রাজ্য সঙ্গীত হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ফর্মালিটিটুকুও সম্পূর্ণ হয়ে গেল।