ভবানীপুরে দোল খেললেন শুভেন্দু, মুখ্যমন্ত্রীর ঘাঁটিতেই কি লড়াইয়ের ইঙ্গিত?

Published on:

Published on:

Suvendu Adhikari Holi Show in Bhabanipur Sparks 2026 Buzz
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় বলেই পরিচিত। কিন্তু দোলের দিন ভবানীপুরের চিত্রটা একেবারে অন্যরকম দেখা গেল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দোলের দিন ভবানীপুরে হাজির হয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে উৎসবে অংশ নিলেন। শুধু দোল খেলা নয়, এদিন ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য ও স্লোগান ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা।

ভবানীপুর থেকে কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) উপস্থিত জনতার উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজ়ম নিপাত যাক। হিন্দুরা যাতে পশ্চিমবঙ্গে সুরক্ষিত থাকে, সেই প্রার্থনাই করব।” এরপর তিনি ‘গোরা গোরা গৌরাঙ্গ’ গান ধরেন এবং ‘হিন্দু-হিন্দু ভাই-ভাই’ স্লোগান তোলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ভবানীপুরে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। শুধু সফর নয়, সেখানে একটি ‘ওয়ার রুম’ গঠনও করেছেন তিনি। নিয়মিত বৈঠক ও কর্মসূচির মাধ্যমে সংগঠন মজবুত করার কাজ চলছে বলে জানা যাচ্ছে। এই বাড়তি সক্রিয়তা ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা। তাহলে কি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হতে পারেন বিরোধী দলনেতা?

২০২৬-কে সামনে রেখেই প্রস্তুতি?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর শক্ত ঘাঁটিতে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) মূল লক্ষ্য। বিজেপি নেতৃত্বের ধারণা, আগামী নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। সেই সম্ভাবনাকে সামনে রেখেই চ্যালেঞ্জের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের কেন্দ্র ছেড়ে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। সেখানে পরাজিত হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জিতে তিনি সাংবিধানিকভাবে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বহাল থাকেন।

Suvendu Adhikari Demands Direct Action from Election Commission

আরও পড়ুনঃ বাংলায় এবার ভোট ক’দফায়? কমিশনের বৈঠকের পর কী আপডেট আসছে

তাই ২০২৬ সালের নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ভবানীপুরকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপও তত বাড়ছে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ঘন ঘন সফর সেই আলোচনাকে আরও জোরালো করে তুলছে। এখন দেখার, এই দোলের রাজনৈতিক বার্তা শেষ পর্যন্ত কোন দিকে গড়ায়।