‘DA মামলায় জয়ী হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা’, সরকারি কর্মীদের ক্ষোভের মাঝেই এল বড় বার্তা

Published on:

Published on:

dearness allowance(90)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সরকারি কর্মীদের অপেক্ষার অবসান হচ্ছে না কিছুতেই। ২০২৬ সাল চলে এলেও ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে উচ্চবাচ্য নেই সরকারের। এদিকে সুপ্রিম কোর্টও এখনও পঞ্চম বেতন কমিশন সংক্রান্ত ডিএ মামলার রায়দান করেনি। এসবের মাঝেই আবার ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ আ ষষ্ঠ পে কমিশনেরও (6th Pay commission) মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে নয়া পে কমিশন গঠন নিয়েও সরকারি তরফে কোনো আপডেট নেই। এই সমস্ত কিছু মিলিয়ে সরকারি কর্মীদের হতাশা-ক্ষোভ যখন বাড়ছে সেই সময় তাঁদের আশ্বাস দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

ডিএ নিয়ে কি বললেন শুভেন্দু? Suvendu Adhikari

সোমবার বারাসত পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সময় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্টে যে মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত মামলা চলছে, তাতে জয়ী হবেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে বলে এখানে আমি বলিনি। আপনারা জিতবেন। ডিএ আপনার হক, আপনার অধিকার। কর্মচারীরা, শিক্ষক, পেনশনভোগীরা প্রত্যেকে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাবেন।’

পূর্বেও বহুবার বিরোধী দলনেতা দাবি করেছেন, রাজ্যে বিজেপি সরকার এলে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাবেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। এদিনও সেই একই কথা শোনা গেল শুভেন্দুর মুখে। বললেন, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে এ রাজ্যের সরকারি কর্মীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের প্রাপ্ত ডিএ-র পরিমাণ ৫৮%। সবমিলিয়ে ডিএ-র ফারাক বেড়ে হয়েছে ৪০ শতাংশ। এদিকে ইতিমধ্যেই অষ্টম বেতন কমিশনের ঘোষণা করা হয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য। আবার এই মাস অর্থাৎ জানুয়ারি মাসেই ফের এক দফায় ডিএ বাড়াবে মোদী সরকার।

Suvendu Adhikari

আরও পড়ুন: মেট্রোর লাইনে দাঁড়ানোর দিন শেষ! এবার ঘরে বসেই মাত্র ২ মিনিটে টিকিট কাটুন, পদ্ধতি দেখে নিন

সবকিছু ঠিক থাকলে এপ্রিল মাসে রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমনে রাজ্য ডিএ বৃদ্ধি করবে বলে একাধিক মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে। তবে ভোটের আগে ডিএ বৃদ্ধি করলেও সরকারি কর্মীরা খুশি হবে না বলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক।