বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দেড় দশক পর পালাবদল হয়েছে রাজ্যে। পদ্ম ফুটেছে পশ্চিমবঙ্গে। তৃণমূল সরকারকে সরিয়ে দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে ক্ষমতায় বিজেপি। নতুন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন সরকারি কর্মচারীদের জন্য আওয়াজ তুলেছিলেন শুভেন্দু। বিধানসভা নির্বাচনের আগে একাধিক প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল বিজেপি তরফে। এবার গেরুয়া সরকার ক্ষমতায় আসতে আচ্ছে দিনের আশায় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা (Government Employees)।
শুভেন্দুর কাছে আবেদন শিক্ষকদের | Suvendu Adhikari
বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাহের প্রতিশ্রুতি ছিল, ক্ষমতায় এলে ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন। প্রতিশ্রুতি ছিল কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র ও। বিজেপি বলেছিল, ক্ষমতায় এলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ডিএ সুনিশ্চিত করা হবে। সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে হবে সপ্তম পে কমিশন লাগু এবং ৬ মাসের মধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন।
শনিবার রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এখনও গঠন হয়নি মন্ত্রীসভা। এরই মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আবেদন জানিয়েছে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি। নতুন সরকারের কাছে ডিএ-র বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ করার জন্য শিক্ষকেরা আবেদন জানিয়েছেন।
বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডলের কথায়, ‘‘তৃণমূল সরকার বার বার শিক্ষকদের সঙ্গে বঞ্চনা করে এসেছে। ন্যায্য দাবি আদায়ে শুনতে হয়েছে যে ‘ঘেউ ঘেউ করবেন না’। তাই নতুন সরকারের কাছে শিক্ষকদের বঞ্চনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার আবেদন। ”

আরও পড়ুন: যৌনপল্লিতেও চলত তৃণমূলের তোলাবাজি! বিজেপি আসায় মিষ্টিমুখ শেওড়াফুলির যৌনকর্মীদের
সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে মহার্ঘ ভাতা প্রদানের বিষয়ে সরকার সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করবে বলে আশা রাখছেন শিক্ষকদের একাংশ। এদিকে বিজেপি টিচার্স সেলের শিক্ষক নেতা দীপল বিশ্বাস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘তৃণমূল সরকারের মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার বিষয়ে অনীহা আমরা সকলেই দেখেছি। বিজেপির তরফ থেকে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা এবং সপ্তম পে কমিশন চালু করা হবে।” সকলের উদ্দেশে তার বার্তা, “বিশ্বাস রাখুন বিজেপি সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা সেটা পূরণ হবে। মুখ্যমন্ত্রীও আশ্বাস দিয়েছেন।’’













