অবাক কান্ড! জেলে থেকেই ৯০ কোটি টাকা চুরি করল বন্দি, খবর প্রকাশ্যে আসতেই হুঁশ উড়ল সবার

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমান সময়ে যত দিন এগোচ্ছে ততই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চুরির ঘটনা। দেশ তথা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেই প্রায় প্রতিদিনই এই ধরণের ঘটনার খবর উঠে আসে খবরের শিরোনামে। তবে, এবার এমন একটি ঘটনা সামনে এসেছে যা শুনে রীতিমতো চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যাবে প্রত্যেকের। এমনিতেই, বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনার সাথে যুক্ত থাকার কারণে অপরাধীদের বিচারের পর জেলে থাকতে হয়। যদিও, এবার জেলে (Prison) থেকেই অপরাধের ছক কষে বড়সড় চুরি করে ফেললেন এক জেলবন্দি।

হ্যাঁ, প্রথমে শুনে অবাক হয়ে গেলেও এবার ঠিক এই ঘটনাই ঘটেছে। জানা গিয়েছে, আমেরিকায় (America) এই ঘটনাটি ঘটেছে। যেখানে ৯০ কোটি টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে কারাগারে থাকা এক বন্দির বিরুদ্ধে। এমতাবস্থায়, এই খবর শুনেই রীতিমতো চমকে গিয়েছেন সবাই।

আমেরিকার জর্জিয়া জেলের ঘটনা: এই প্রসঙ্গে নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে যে, এই ঘটনাটি আমেরিকার জর্জিয়া জেলে ঘটেছে। সেখানকার আর্থার লি কোফিল্ড জুনিয়র নামে ৩১ বছর বয়সী এক বন্দির বিরুদ্ধে জেলে থাকাকালীন ৯০ কোটি টাকা চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে একজন বিখ্যাত ধনকুবেরের নামে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলেন। তারপর তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি টাকা চুরি করে নেন।

জেলে বসেই ৯০ কোটি টাকা লুঠ: এমতাবস্থায়, জেলের মধ্যেই অবৈধভাবে মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ওই বন্দির বিরুদ্ধে। ধনকুবের সিডনি কিমেলের নামে ব্যাঙ্কে একটি অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন তিনি। এদিকে, ব্যাঙ্ক তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় নথি এবং ব্যক্তিগত বিবরণ জানতে চাইলে তিনি জালিয়াতির মাধ্যমে কিমেলের কাগজপত্র ব্যাঙ্কে পাঠিয়ে দেন। শুধু তাই নয়, তিনি ব্যাঙ্কে এত আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলেন যে ব্যাঙ্কের কর্মীরা তা বুঝতে পারেন নি। এমতাবস্থায়, তাঁরা কিমেলের অ্যাকাউন্ট থেকে ৯০ কোটি টাকা স্থানান্তর করে দেন।

হাজার হাজার স্বর্ণমুদ্রা কেনা হয়: জানা গিয়েছে, ওই টাকা দিয়ে আর্থার লি কোফিল্ড জুনিয়র নামের ওই যুবক কয়েক হাজার স্বর্ণমুদ্রা কিনে নেন। তারপর সেইসব মুদ্রা বিক্রি করে একটি বাড়িও কিনে নেন তিনি। যদিও, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই সিডনি কিমেল তাঁর টাকা ফেরত পেয়ে যান। তবে, এই ধরণের চাঞ্চল্যকর ঘটনা আমেরিকার জেলের সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়ে একাধিক প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।

Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X