একই পদে টানা চাকরির দিন শেষ! ‘এই’ সরকারি কর্মীদের বদলি নীতিতে বড় পরিবর্তন সরকারের

Published on:

Published on:

'This' Government Employees
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্য সরকারি কর্মীদের (Government Employees) বদলি ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় পরিবর্তনের পথে হাঁটল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal Government)। সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ দপ্তর প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তরের নির্দেশ অনুসরণ করে একটি নতুন সার্কুলার প্রকাশ করেছে। সেখানে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, সাধারণ পরিস্থিতিতে কোনও আধিকারিক বা কর্মচারীকে তাঁর নিজ জেলার কর্মস্থলে রাখা হবে না। তবে অবসরের শেষ দু’বছরে প্রশাসনিক প্রয়োজন বিবেচনা করে এই নিয়মে ব্যতিক্রম করার সুযোগ থাকবে। প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সরকারি কর্মীদের (Government Employees) বদলি নীতিতে পরিবর্তন

শুধু পোস্টিং-এর নিয়ম বদল নয়, একই দায়িত্বে দীর্ঘদিন থাকার ক্ষেত্রেও এবার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কোনও আধিকারিক বা কর্মচারী টানা তিন বছর একটি পদে দায়িত্ব পালন করলে তাঁর বদলির প্রস্তাব খতিয়ে দেখতে হবে। একই পদে চার বছরের বেশি দায়িত্বে বহাল থাকার সুযোগ আর মিলবে না।

সবচেয়ে বেশি কড়াকড়ি করা হয়েছে যেসব পদে আর্থিক বা প্রশাসনিক সংবেদনশীলতা বেশি, সেগুলিতে। রাজস্ব আদায়, কর সংগ্রহ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফিল্ড পোস্টিংয়ে থাকা কর্মীদের ক্ষেত্রে দু’বছর পূর্ণ হওয়ার পর থেকেই বদলির উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের দায়িত্বে কোনও অবস্থাতেই তিন বছরের বেশি রাখা যাবে না।

সরকারি এই নির্দেশ শুধু একটি নির্দিষ্ট শাখার জন্য নয়। স্বাস্থ্য অধিকর্তার দপ্তর, স্বাস্থ্য-শিক্ষা, আয়ুষ, হোমিওপ্যাথি, ড্রাগ কন্ট্রোল-সহ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ দপ্তরের অধীন সমস্ত শাখাকেই নতুন নীতি মেনে চলতে হবে। তবে বিশেষ প্রশাসনিক প্রয়োজন দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

'This' Government Employees transfer policy changes

আরও পড়ুন :সুপ্রিম নির্দেশে জামিন, তবু বন্ধ নয় তদন্ত! NEET আন্দোলন মামলায় কেন সক্রিয় লালবাজার?

প্রশাসনিক মহলের মতে, দীর্ঘদিন একই দায়িত্বে থাকলে স্থানীয় প্রভাব, অস্বচ্ছতা বা অনিয়মের সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। নতুন বদলি নীতিকে প্রশাসনিক সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের অন্যান্য দপ্তরেও একই ধরনের নীতি আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয় কি না, সেদিকেও নজর থাকবে সরকারি কর্মী ও প্রশাসনিক মহলের।