নতুন বছরেই বড় ঝটকা পেল আমজনতা! ডাল-সবজির ক্রমবর্ধমান দামে বৃদ্ধি হল পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার

বাংলা হান্ট ডেস্ক: নতুন বছরেই এবার সামনে এল দুঃসংবাদ! মূলত, খুচরো মুদ্রাস্ফীতির (Retail Inflation) পর এবার পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি (Wholesale Inflation) সরকারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে বিপাকে ফেলেছে। এই প্রসঙ্গে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, গত ডিসেম্বর মাসে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি ০.৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় মাস পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি “জিরো”-র ওপরে রয়েছে।

   

উল্লেখ্য যে, এর আগে এপ্রিল থেকে অক্টোবরের মধ্যে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির পরিসংখ্যান শূন্যের নিচে অর্থাৎ মাইনাসে ছিল। এমতাবস্থায়, বিশেষজ্ঞদের মতে ফুড প্রোডাক্টস বিশেষ করে ডাল ও শাক-সবজির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে। বর্তমান প্রতিবেদনে এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপিত করা হল।

কেন বৃদ্ধি পেল পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি: ইতিমধ্যেই আমরা জানিয়েছি যে, গত ডিসেম্বরে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি ০.৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এমতাবস্থায়, পাইকারি মূল্য সূচক অর্থাৎ Wholesale Price Index এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ক্রমাগত শূন্যের নিচে ছিল। তবে, গত নভেম্বরে এই হার ছিল ০.২৬ শতাংশ।

আরও পড়ুন: একের পর এক রক্তক্ষয়ী হামলায় বিধ্বস্ত পাকিস্তান! ফের বোমা বিস্ফোরণ, মৃত্যু ৫ সেনা জওয়ানের

এমতাবস্থায়, সোমবার বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের জারি করা এক বিবৃতি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, পণ্য, মেশিনারি তথা কম্পোনেন্টস, ম্যানুফ্যাকচারিং, ট্রান্সপোর্টেশন, কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক ও অপটিক্যাল প্রোডাক্টস প্রভৃতির দাম বৃদ্ধিই ছিল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির কারণ।

আরও পড়ুন: আয়ের বেশির ভাগই দান করেছিলেন রাম মন্দিরে, এবার অযোধ্যায় আমন্ত্রণ পেলেন কাগজকুড়োনি বিহুলা

ফুড ইনফ্লেশন: জানিয়ে রাখি যে, গত ডিসেম্বরে খাদ্যদ্রব্যের মুদ্রাস্ফীতি অর্থাৎ ফুড ইনফ্লেশন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৩৮ শতাংশে। যা নভেম্বরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ। এদিকে, ডিসেম্বরে সবজির মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ২৬.৩০ শতাংশ এবং ডালের মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ছিল ১৯.৬০ শতাংশ।

This time the wholesale inflation rate increased

গত সপ্তাহে প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি ৪ মাসের সর্বোচ্চ ৫.৬৯ শতাংশে পৌঁছেছে । জানিয়ে রাখি যে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) গত মাসে তার দ্বি-মাসিক মুদ্রানীতিতে সুদের হার স্থিতিশীল রেখেছিল। এছাড়াও, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়েছিল।