বছর শেষে সুখবর! ৬০ নয় ৫০ পেরোলেই মিলবে পেনশন, বড় ঘোষণা খোদ মুখ্যমন্ত্রীর

বাংলা হান্ট ডেস্ক : নতুন বছর শুরু হওয়ার আগেই মিলল নববর্ষের উপহার। সম্প্রতি পেনশন (Pension) নিয়ে বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার (State Government)। সাধারণত পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা হয় ৬০ বছর।সম্প্রতি পেনশন (Pension) নিয়ে বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার (State Government)। সাধারণত পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা হয় ৬০ বছর।তবে এবার থেকে ৫০ বছর বয়স পার হলেই পাওয়া যাবে পেনশনের সুবিধা। গত শুক্রবারের এই ঘোষণার পর থেকেই খুশির হাওয়া রাজ্য জুড়ে। চলুন জেনে নিই বিস্তারিত।

   

গত শুক্রবার এই ঘোষণাটি করেছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন বছরে নতুনভাবে সাজানো হবে পেনশন প্রক্রিয়াকে। এবার থেকে ৬০ নয়, ৫০ বছর পার হলেই মিলবে পেনশনের সুবিধা। তবে এই সুবিধার আওতায় আসবে কেবল আদিবাসী এবং দলিত শ্রেণির মানুষরা। বাকিদের জন্য বয়সসীমা ৬০ বছরই রাখা হয়েছে।

গত শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেন, “রাজ্য সরকার আদিবাসী ও দলিতদের পেনশনের সুবিধা দেওয়ার জন্য বয়সসীমা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আদিবাসী ও দলিতদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি এবং ৬০ বছরের পর তারা কোথাও কাজের সুযোগও পান না। সেই কারণেই ৫০ বছর বয়স থেকেই পেনশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

আরও পড়ুন : রামতীর্থ অযোধ্যায় নমো, হল গ্র্যান্ড ওয়েলকাম, শহরবাসীকে ১৬ হাজার কোটি টাকার উপহার প্রধানমন্ত্রীর

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, ২০০০ সালে ঝাড়খণ্ড তৈরি হওয়ার পরবর্তী ২০ বছরে মাত্র ১৬ লাখ মানুষ পেনশনের সুবিধা পেয়েছেন। তবে তার সরকার আসার পর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ লক্ষ। পাশাপাশি ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বিধবা ও বিশেষভাবে সক্ষমদেরও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য একাধিক প্রকল্পের কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন : DA অসন্তোষের মাঝেই আরও একটি বড় ঘোষণা, আনন্দে লাফাচ্ছেন রাজ্য সরকারের সরকারি কর্মীরা

122193 euzasrudah 1560948796

পাশাপাশি এইদিন মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় ছিল বিজেপি। কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘আগের ডাবল ইঞ্জিন সরকার রাজ্যকে দুহাতে লুট করে দরিদ্র করে তুলেছে। কৃষক, মহিলা এবং দরিদ্রদের সাথে তাদের কিছুই করার নেই।’ কেন্দ্রের উপর তার আক্রমণ অব্যাহত রেখে, সোরেন বলেছিলেন যে ঝাড়খণ্ডের দরিদ্রদের জন্য অতিরিক্ত আট লক্ষ বাড়ি বরাদ্দ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল কিন্তু তা হয়নি। তবে তার শাসনকালে রাজ্যের কেউই নিরাশ হাতে ফিরবেনা সেই প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।