‘আমরা সপ্তম পে কমিশন তৈরি করে দিয়েছি, রিপোর্ট এলেই পদক্ষেপ’, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

Published on:

Published on:

7th Pay Commission(21)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: সপ্তম পে কমিশন নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে বাংলার সরকারি কর্মীদের মধ্যে (Government Employees)। নির্বাচনের আগে দেওয়া পূর্বে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো ক্ষমতায় এসেই রাজ্যে সপ্তম পে কমিশনের (7th Pay Commission) ঘোষণা করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। নতুন বেতন কমিশন কার্যকর করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপও।

নয়া পে কমিশন আগামী বছরের শুরুতেই! 7th Pay Commission

সরকারি কর্মচারীদের সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে দাবি জানাতে চালু হয়েছে ওয়েবসাইট। তবে কবে থেকে পে কমিশন কার্যকর হবে সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলছে কর্মী মহল। সরকার তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, আগামী বছরের শুরুর মধ্যে নয়া কমিশন কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। তাই যত দিন গড়াচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে এই নিয়ে চর্চা আরও বাড়ছে।

কমিশনের কাছে নিজেদের দাবি, বক্তব্য, মতামত এবং বিভিন্ন প্রস্তাব জানানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সরকারি ওয়েবসাইট চালু করার কথা জানিয়েছে রাজ্য। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মেমোরান্ডাম ও সাজেশন জমা দেওয়ার মডিউল কার্যকর হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে সংগঠন, সংস্থা, দফতর থেকে শুরু করে কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাও নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন।

ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট মডিউলের মাধ্যমে বেতন, ভাতা, পদোন্নতি, অবসরকালীন সুবিধা ইত্যাদি বিষয়ে তাদের মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের কাছে। জোর কদমে নয়া পে কমিশনের কাজ চলায় স্বাভাবিকভাবে খুশি সরকারি কর্মচারীদের একটা বড় অংশও। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও নয়া পে কমিশন নিয়ে সরকারি কর্মীদের উদ্দেশে একাধিকবার বার্তা দিয়েছে।

চলতি মাসেই শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান থেকে নয়া পে কমিশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সপ্তম পে কমিশন তৈরি করে দিয়েছি। রিপোর্ট এলেই তা কার্যকর করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কারণ, অর্থনৈতিক সুরক্ষাও একটা বিষয়। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির যুগে অর্থনৈতিক সুরক্ষাটাও গুরুত্বপূর্ণ।’

7th Pay Commission

আরও পড়ুন: কৃষকদের জন্য বড় ঘোষণা! বিদ্যুতে ইউনিট-পিছু ২ টাকা ভর্তুকি, চালু হবে কবে?

উল্লেখ্য রাজ্যে বর্তমানে চালু ষষ্ঠ পে কমিশন বা রোপা ২০১৯-এর মেয়াদ শেষ হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। হিসেব মত ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার কথা। বাঁধাধরা নিয়ম না থাকলেও কেন্দ্র ও রাজ্যে সাধারণত দশ বছর অন্তর পে কমিশন গঠন করা হয়।

যে কোনো পে কমিশনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিকটি হল ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’। মনে করা হচ্ছে নতুন বেতন কমিশনে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া মূল বেতনের সাথে বাড়ি ভাড়া ভাতা (HRA) এবং মহার্ঘ ভাতা অর্থাৎ ডিএ-র (DA) পরিমাণও লাফিয়ে বাড়বে নয়া পে কমিশন এলে।