বাংলাহান্ট ডেস্ক: বলিউডের দুর্দিনের বলি হয়েছে বিজয় দেবেরাকোন্ডার (Vijay Deverakonda) ‘লাইগার’ (Liger)। তেলুগু ইন্ডাস্ট্রিতে যে তারকার রমরমা, তিনি বলিউডে পা রেখেই আছাড় খেয়েছেন। বিগ বাজেটের লাইগার কার্যত ধুলোয় গড়াগড়ি খেয়েছে। ছবির চিত্রনাট্য থেকে শুরু করে বিজয় অনন্যার অভিনয় কোনোটাই মন জয় করতে পারেনি দর্শকদের। এমনকি ছবি দেখে ক্ষুব্ধ অভিনেতা নিজেও।
মোট ১০০ কোটি টাকা বাজেটে তৈরি হয়েছিল পুরী জগন্নাথ পরিচালিত লাইগার। একজন এম এম এ ফাইটারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বিজয়। প্রথম হিন্দি ছবির জান লড়িয়ে খেটেছিলেন তিনি। প্রচারেও কোনো খামতি রাখেননি। কিন্তু ফলাফল একেবারেই আশানুরূপ হয়নি।
গত ২৫ অগাস্ট মুক্তি পেয়েছে লাইগার। এখনো পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কোটির কিছু বেশি টাকার ব্যবসা করতে পেরেছে ছবিটি। ফলতঃ বড় অঙ্কের ক্ষতি হতে চলেছে প্রযোজকদের। গত কয়েক মাসে বলিউডে যেকটি ছবিই মুক্তি পেয়েছে সবকটিই ফ্লপ হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে প্রযোজকদের। রেহাই পেল না লাইগারও।
তবে সাম্প্রতিক পাওয়া খবর বলছে, ছবির ব্যর্থতা মেনে নিয়ে প্রযোজকদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়। নিজের পারিশ্রমিক থেকে প্রায় ৬ কোটি টাকা তিনি ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে লাল সিং চাড্ডা ফ্লপ হওয়ার পর এমনি কাজ করেছিলেন আমির খান। চার বছরের পরিশ্রমের বিনিময়ে একটা টাকাও পারিশ্রমিক নেননি তিনি।
প্রসঙ্গত, বলিউডের বয়কট সংষ্কৃতির বিরোধিতা করে এর আগে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছিল বিজয়কে। পালটা তাঁর ছবি লাইগার বয়কটের ডাক ওঠাতেও মাথা নোয়াননি তিনি। তারপরেই মরাঠা মন্দির সিনেমা এবং গেইটি গ্যালাক্সির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মনোজ দেশাই রীতিমতো তুলোধনা করেন বিজয়কে। বয়কট ট্রেন্ড নিয়ে মন্তব্য করায় বিজয়কে তিনি ‘অহংকারী’ এবং ‘অ্যানাকোন্ডা’ বলে কটাক্ষ করেন। যদিও এরপর ব্যক্তিগত ভাবে তাঁর সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা।