দ্বিতীয় দফার আগে ‘মেগা অ্যাকশন’! একদিনেই ১০৯৫ গ্রেপ্তার করে বড় বার্তা পুলিশের

Published on:

Published on:

WB Police Arrest 1095 in CBM Drive Before West Bengal Assembly Election 2026 Phase 2
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) আগে রাজ্যে যাতে কোনও অশান্তি না হয়, সেই লক্ষ্যেই বড়সড় অভিযান চালাল পুলিশ। ‘কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স’ বা CBM ড্রাইভের মাধ্যমে একদিনেই হাজারের বেশি লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য একটাই ভোটের পরিবেশ শান্ত রাখা এবং দুষ্কৃতীদের নিয়ন্ত্রণে আনা।

ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) মুখে পুলিশের বড় গ্রেপ্তারি অভিযান 

সূত্রের খবর, রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বিশেষ ‘কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স’ (CBM) অভিযানে নেমে রাজ্যজুড়ে মোট ১০৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৬ ঘণ্টায় এই সংখ্যা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৪৩। জেলাভিত্তিক হিসাবে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি ধরপাকড় হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়, ৪৭৯ জন। এই তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের কাউন্সিলর নারু ভগতও। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশের উদ্দেশে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এরপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, যেখানে ৩১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রবিবার রাত থেকেই জগদ্দল এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগে তৃণমূলের এক কাউন্সিলর-সহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, সেখান থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন ২৪৬ জন। এছাড়াও কলকাতা উত্তরে ১০৯ জন, হুগলিতে ৪৯ জন, নদিয়া ও হাওড়ায় ৩২ জন করে অভিযুক্তকে পাকড়াও করেছে পুলিশ।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) সময় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেই কারণেই এই ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের আগেই চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়াই মূল লক্ষ্য। আগামী দিনেও এই ধরনের অভিযান চলবে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছে প্রশাসন।

All parties are happy with the efforts of Election Commission of India to ensure peaceful polls in Bengal.

আরও পড়ুনঃ শ্রীজাত কি সত্যিই গ্রেপ্তার হচ্ছেন? সামনে এল আসল ঘটনা

এদিকে, ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) আগে সম্ভাব্য গোলমালকারীদের তালিকা তৈরি করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকা ঘিরে বিতর্কও শুরু হয়। তৃণমূল এই বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলে আদালত ওই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়।