‘মমতাই আসল সান্তা, সারাবছর উপহার বিলি করেন’, বড়দিনের আগে বড় দাবি ফিরহাদের

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাত পোহালেই বড়দিন। গোটা বিশ্ব জুড়েই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। এইদিন ছোট থেকে বড় সকলের মনের কোনে একটা সুপ্ত ইচ্ছে থাকে। সকলেই চায় সান্তা ক্লজ (Santa Clause) এসে তাদের মনের বাসনা পূরণ করুক। তবে সবার জীবনে কি আর সান্তা থাকে? ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) তো বললেন, বাংলার মানুষের জীবনে রয়েছে জ্বলজ্যান্ত সান্তা। আর তিনি হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

   

ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বড়দিনের আয়োজন। ইতিমধ্যেই কেক, আলোর পশরা সাজিয়ে হকাররা নেমে পড়েছে রাস্তায়। একদিকে কেকের দোকানে লম্বা লাইন তো কেউ আবার বেলুন, ক্রিস্টমাস ট্রি কিনতে ব্যস্ত। সুসজ্জিত রঙিন পোশাক পরা মানুষের ঢল নেমে পড়েছে রাজপথে। সান্তা ক্লজের উপহারের প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছে কচিকাঁচারা। আর সেই সান্তা নাকি মমতা ব্যানার্জি।

এইদিন শহরের একটি ক্রিস্টমাস কার্নিভালের উদ্বোধনে গিয়ে এমনটাই দাবি করলেন ফিরহাদ হাকিম‌। মেয়রের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন একজন সান্তা যিনি কেবল ক্রিস্টমাসেই নয়, সারা বছরই কোনও না কোনও উপহার নিয়ে আসেন তিনি। রাজ্যবাসীর সুখ দুঃখ, মনের গোপন ইচ্ছের কথা তিনি সবই বোঝেন। আর তাই তো না চাইতেই মানুষের জন্য হাজির করেন নানা ধরণের উপহার। আর তাই তিনি হলেন বাংলার সান্তাক্লজ।

আরও পড়ুন : পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ভাইরাল টেটের প্রশ্নপত্র! হতাশ পরীক্ষার্থীরা, মুখ খুলল পর্ষদ

এখানেই কি থেমে থাকলেন তিনি? নাহ্, এইদিন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে পুরমন্ত্রী বললেন, ‘‌আগে সান্তা ক্লজের উপহারের আশায় রাত জেগে বসে থাকতাম। ঘুম থেকে উঠেই দেখতাম মাথার কাছে সাজিয়ে রাখা নানা উপহার। শিশুমন বিশ্বাস করত, সান্তা এসেই সেসব দিয়ে গিয়েছে। বড় হয়ে বুঝতে পারলাম, মা–বাবাই সান্তার ভূমিকা পালন করেন। এখন আমি উপলব্ধি করছি, সান্তা ক্লজ সত্যিই আসে।’

আরও পড়ুন : ‘সরকারই চাইছেনা’, পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হতেই রাজ্যের দিকে আঙুল তুললেন ‘টেট পাশ’ পরীক্ষার্থী

পুরমন্ত্রীর সংযোজন, ‘শুধু ক্রিস্টমাসের সময় আসে না, সারা বছর আসে। যে ছোট মেয়েগুলিকে বলা হয় যে, আর পড়াশোনা করার টাকা নেই, বিয়ে দিয়ে দেব। তখন সেই সান্তা ক্লজ এসে তাকে কন্যাশ্রীর টাকা দিয়ে বলে তোমাকে এখনও পড়তে হবে, জীবনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। মেয়ের বিয়ে কী করে দেব? এই চিন্তায় পড়লেই সান্তা ক্লজ এসে বলে রূপশ্রীর কার্ডটা নাও। মেয়ের বিয়ে সসম্মানে দাও।’ সেই সাথে উঠে এল স্বাস্থ্যসাথীর কথাও। খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য এটাও একটা বড় উপহার। তার কথায়, বাংলার সান্তাক্লজের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সাথে মুখ্যমন্ত্রীর লম্বা আয়ু এবং সুস্থতাও কামনা করেন তিনি।