বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কিছুতেই খুলছে না বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলার জট। প্রাপ্য ডিএ চেয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সরকারি কর্মীরা। এদিকে সরকারও নাকি রিট পিটিশনের পথে হাঁটতে চলেছে বলে শোনা যাচ্ছে। এসবের মাঝে অবমাননার মামলা নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন ইউনিটি ফোরামের আহ্বায়ক দেবপ্রসাদ হালদার।
গত ৫ ফেব্রুয়ারী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত মামলায় চূড়ান্ত রায়দান করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের (Government Employees) বকেয়া ডিএ–র ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়ার জন্য ৬ই মার্চ, ৩১শে মার্চ এবং ১৫ই এপ্রিলের ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে এরই মধ্যে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।
সম্প্রতি বকেয়া ডিএ মেটাতে রাজ্য কোনো পদক্ষেপ না করায় রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং রাজ্যের অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্রকে আদালত অবমাননার নোটিস দিয়েছিলেন ডিএ মামলাকারীরা। কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ-এর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম এবং সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিবকে অবমাননার নোটিস দিয়ে সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার কনটেম্পট পিটিশন ফাইল করা হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে ইউনিটি ফোরামের আহ্বায়ক দেবপ্রসাদ হালদার অবশ্য সম্প্রতি বলেছেন, কয়েকটি সংগঠন অতি উৎসাহে বা তাড়াহুড়ো করে সুপ্রিম কোর্টে অবমাননার মামলা করেছে। এই ধরনের পদক্ষেপ “শিশুসুলভ”। তাঁর মতে, এই রকমের পদক্ষেপ আখেরে সরকারেরই সুবিধা করে দিতে পারে।
আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট, মাসে মাসে ১৫০০ করে পেতে চাইলে দেখে নিন
তাঁর মতে, সরকার এখন এই পিটিশনের অজুহাত দেখিয়ে কোর্ট থেকে বাড়তি সময় চেয়ে নিতে পারে। ফলত বকেয়া ডিএ পাওয়ার প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হতে পারে। এই মামলা প্রসঙ্গে যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেছিলেন, “শীর্ষ আদালতের প্রতি সম্মান দেখানোর কোনও মানসিকতা নেই রাজ্য সরকারের। এমন একটা সরকারকে নির্বাচিত করা হয়েছে, যাদের এই দেশের সংবিধানের প্রতিও ন্যুনতম সম্মানবোধ নেই। প্রশাসনিক তৎপরতা নেই।”

আরও পড়ুন: বসন্ত উৎসব বাতিল হলেও থামেনি দোলের টান, শান্তিনিকেতনে পর্যটক স্রোত, হোটেল ভাড়ায় আগুন
তিনি আরও জানিয়েছিলেন, সরকারের উদাসীনতায় বাধ্য হয়েই আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই আদালত অবমাননার মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই মামলা কোন মোড় নেয় সেদিকে নজর থাকবে।












