বাংলাহান্ট ডেস্ক : শহর কলকাতার বড় পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম উত্তর কলকাতার ফাটাকেষ্টর কালীপুজো (Fatakesto Kalipujo)। পুরনো কলকাতার অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি কৃষ্ণচন্দ্র দত্ত, যিনি পরিচিত ছিলেন ‘ফাটাকেষ্ট’ নামে। সত্তরের দশকে নকশাল আন্দোলনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে গঠন করা হয়েছিল অক্সিলিয়ারি ফোর্স। ওই ফোর্সেরই এক সক্রিয় সদস্য হিসেবে প্রথম নজর কেড়ে নেন কৃষ্ণচন্দ্র দত্ত।
কে ছিলেন ফাটাকেষ্ট (Fatakesto Kalipujo)?
কলেজ স্ট্রিটের মোড়ে কৃষ্ণচন্দ্র দত্তের বাবার ছিল পানের দোকান। সেখানে নিয়মিত যাতায়াত ছিল তাঁর। পরবর্তীতে তিনিই হয়ে ওঠেন উত্তর কলকাতার বেতাজ বাদশা। মা কালীর ভক্ত ছিলেন তিনি। আজও কলকাতার কালীপুজো মানেই তালিকায় থাকবে ফাটাকেষ্টর কালীপুজো।

অন্যত্র শুরু হয় পুজো: আগে নবযুবক সংঘের পুজো হত ছোট্ট করে, সাধারণ ভাবে। সেই পুজোকে নিজের উদ্যোগে সীতারাম ঘোষ স্ট্রিটে নিয়ে আসেন এই পুজো। রাজকীয় ভাবে নতুন রূপ পায় এই কালীপুজো।
আরও পড়ুন : লাদাখে নয়া ইতিহাস ভারতীয় বায়ুসেনার! চিনের ঘুম উড়িয়ে ১৩,৭০০ ফুট উচ্চতায় অবতরণ করল বিমান
পুজোর আকর্ষণ কী: ১৬ ফুট উঁচু বিশালাকার প্রতিমা ফাটাকেষ্টর কালীপুজোর অন্যতম আকর্ষণ। সঙ্গে চন্দননগরের লাইটিং। ১২ দিন ধরে মণ্ডপে রেখে দেওয়া হয় প্রতিমা। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসেন ফাটাকেষ্টর মা কালীকে (Fatakesto Kalipujo) দেখতে।
আরও পড়ুন : সর্ষে দিয়ে তো অনেক খেলেন, এবার চেখে দেখুন পাবদা পোস্ত, রইল রেসিপি
ফাটাকেষ্টর কালীপুজোয় আসতেন খোদ অমিতাভ বচ্চন। দো আনজানে ছবির শুটিংয়ের সময় কলকাতায় এসে ফাটাকেষ্টর আমন্ত্রণে এই পুজোয় আসেন বিগ বি। অমিতাভ ও জয়ার তরফে মা কালীর প্রতি ভক্তি জানিয়ে পাঠানো হয়েছিল একটি বহুমূল্য হিরের নাকছাবি। শোনা যায় পরবর্তীতে সেই নাকছাবিটি চুরি হয়ে যায়। তবে অবিকল ওই নাকছাবির একটি প্রতিলিপি তৈরি করে মায়ের নাকছাবি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয় পরে।












