বড় জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা? গ্রেফতার আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ ছাত্র, মিলেছে ISIS যোগ

বাংলা হান্ট ডেস্ক : আইএসআইএস (ISIS) যোগে গ্রেফতার হল দুই ছাত্র। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (Aligarh Muslim University) দুই ছাত্রের সাথে জঙ্গি সংগঠন ISIS যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সন্ত্রাস দমন শাখা বা এটিএস‌। ধৃত দুই ছাত্রের নাম ফরাজ আহমেদ (২২) এবং আবদুল সামাদ মালিক (২৫)। সূত্রের খবর, এই দুই ছাত্রের মাথার দাম ধার্য্য করা হয়েছিল প্রায় ২৫ হাজার টাকা।

   

মিডিয়া সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই দুই ছাত্রের সাথে জঙ্গি সংগঠন ISIS-র যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছিল তদন্তকারী কর্মকর্তারা। গোপন সূত্রে খবর মিলেছিল, তারা নাকি গোপনে নানাবিধ দেশবিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছে। তাদের সাথে আরও ছাত্রের যোগাযোগ থাকতে পারে বলে ধারণা। ইতিমধ্যেই ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেছে এটিএস। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, তাদের কাছ থেকে আরও তথ্য মিলতে পারে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় এফআইআর রুজু করা হয়েছিল এই দুই ধৃতের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র পাচারের কারণে পুলিশ তাদের তল্লাশি করছিল। ইতিমধ্যেই এই মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই সাথে আরও বেশকিছু অভিযুক্তের খোঁজ চলছিল বলে খবর।

আরও পড়ুন : খাবারে বিষক্রিয়া! আমূলের দইয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার

ঘটনা প্রসঙ্গে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধৃত ফরাজ এবং আবদুল সহ আগে গ্রেফতার হওয়া ৭ জন মিলে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে আইএস মডিউল খোলার তোড়জোড় শুরু করেছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং এক বড় সন্ত্রাসী হামলার ছক কষছিল তারা। এই ৯ জন ছাড়া আরও ছাত্রের যোগসূত্র থাকতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।

qrbtt1s7ef0ovmunmdfs

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ফরাজ মনস্তত্বের ছাত্র ছিলেন। তিনি আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রিও অর্জন করেছিলেন। সেই সাথে এমবিএ-রও প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। এদিকে আব্দুল সামাদের বিষয় ছিল সোশ্যাল ওয়ার্ক। তিনি স্নাতোকত্তরের জন্য আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। তবে এখানে এসে পড়াশোনার বদলে দেশবিরোধী কার্যকলাপেই বেশি মনযোগ ছিল তার। জড়িয়ে পড়েন সন্ত্রাসবাদী কাজে।

আরও পড়ুন : দারুণ সুখবর! এই রুটে স্পেশ্যাল বন্দে ভারতের ঘোষণা রেলের, বাড়ল ৬৭৭৩ টি সিট, রইল সময়সূচী

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অন্যান্য ছাত্রদেরও নিজেদের দলে টানেন তারা। অবৈধ অস্ত্র পাচারের পাশাপাশি নাশকতার ছক কষছিলেন তারা। এরপর আব্দুল সামাদ নিজেই আত্মসমর্পণ করেন এবং ফরাজকে গ্রেফতার করা হয় আলীগড় থেকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্যান্য তথ্য জানার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। হয়ত বড় কোনও তথ্য মিলতেও পারে।

সম্পর্কিত খবর