বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজোর (Durga Puja) আগে রাজ্যের একাধিক রাস্তার হাল বেহাল। শহর কলকাতা থেকে জেলা, সর্বত্র দেখা যাচ্ছে এক ছবি। এই পরিস্থিতিতে শহরের অন্তত ৫০০টি রাস্তা মেরামতির (Road Repair) উদ্যোগ নিতে চলেছে পুলিশ ও পুরসভা। মহালয়ার মধ্যেই কাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
পুজোর আগেই সারানো হবে বেহাল রাস্তা | (Road Repair)
শহর থেকে শহরতলি, একাধিক রাস্তার কঙ্কালসার চেহারা বেরিয়ে এসেছে। এবড়োখেবড়ো রাস্তায় চলাচল করা সাধারণ মানুষের পক্ষে একপ্রকার দুষ্কর হয়ে উঠেছে। শুক্রবার নজরুল মঞ্চে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করেন। সেখানে তাঁর কাছে বেহাল রাস্তায় বিষয়ে অভিযোগ জানান বহু পুজো উদ্যোক্তা।
আরও পড়ুনঃ ‘বিধায়ককে কোনও পাত্তাই দেওয়া হচ্ছে না’! রত্না দেবনাথের ‘অপমানের’ অভিযোগে সরব স্বামী
বিভিন্ন এলাকার পুজো উদ্যোক্তারা তাঁদের নিজ নিজ এলাকার খারাপ রাস্তার বিষয়ে অভিযোগ করেন। এরপরেই পুলিশ ও পুরসভার তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়, মহালয়ার মধ্যেই রাস্তা সারানো হবে। পুজোর আগেই শহরের অন্তত ৫০০টি রাস্তা সারানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
গতকাল আয়োজিত বৈঠকে কলকাতার পুলিশ কমিশনারের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন লালবাজার, পুরসভা, দমকল, বিদ্যুৎ সংস্থা ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কর্তারা। বিসর্জনের ডেডলাইন বেঁধে লালবাজার জানিয়েছে, আগামী ২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন করতে হবে। ২৬ অক্টোবর ও ২৭ অক্টোবর লক্ষ্মীপুজোর বিসর্জন হবে।
একইসঙ্গে লালবাজারের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে পুজো মণ্ডপগুলিতে পরিদর্শন শুরু হবে। মণ্ডপে সাইবার কিয়স্ক থাকবে। এখনও অবধি ৩০২৪টি পুজো কমিটি ওয়ান উইন্ডো সহজ দুর্গা পোর্টালে আবেদন করেছে। এখনও আবেদন জানাতে পারে আরও বেশ কিছু কমিটি।
এছাড়া পুজো উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে পুলিশ কমিশনারের বার্তা, প্রত্যেককে আইনসম্মতভাবে চাঁদা তুলতে হবে। মণ্ডপের কাঠামো, বিদ্যুৎ, অগ্নিসুরক্ষা, ট্রাফিক সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। ইতিমধ্যেই পুলিশের তরফে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসিটিভি বসানো হয়েছে। দরকারে আরও বসানো হবে। নিরাপত্তার জন্য উদ্যোক্তাদেরও সিসিটিভি বসাতে হবে।

একইসঙ্গে পুলিশ কমিশনার বলেন, পুজো মণ্ডপের চারপাশে পর্যাপ্ত পরিমাণ আলো রাখতে হবে। শিশু, বৃদ্ধ ও নিখোঁজদের জন্য বুথ তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি কোনও সমস্যা হওয়ার আগেই যাতে তা মিটিয়ে নেওয়া যায়, সেই জন্য পুজো কমিটিগুলিকে সারাক্ষণ পুলিশের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখতে বলা হয়েছে।
রাজ্যে পালাবদলের পর এবার প্রথম দুর্গাপুজো হতে চলেছে। নিরাপত্তা সহ যাবতীয় আয়োজনে কড়া নজর রয়েছে পুলিশ-প্রশাসনের। এবার বেহাল রাস্তা সারানো সহ একাধিক বিষয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের বড় বার্তা দেওয়া হল।













