বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী বাজেটে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশনের (7th Pay Commission) ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য সরকার তরফে। একই সঙ্গে হয়েছে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের (Government Employees) ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা। বর্ধিত ডিএ আগামী ১ এপ্রিল থেকে মিললেও নয়া পে কমিশনের বাস্তবায়ন এবং সময়সীমা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
সপ্তম পে কমিশন বাস্তবায়ন কবে | 7th Pay Commission
কোনও বাঁধাধরা নিয়ম না থাকলেও কেন্দ্র ও রাজ্যে সাধারণত দশ বছর অন্তর পে কমিশন গঠন করা হয়। ষষ্ঠ পে কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। নীতিগতভাবে ১লা জানুয়ারি ২০২৬ থেকে সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হতে চলেছে। তবে বাস্তবে তা কবে হবে তা নিয়ে জল্পনা।
নয়া পে কমিশনের ক্ষেত্রে ১লা জানুয়ারি ২০২৬ তারিখটিকে শুরুর সময় হিসেবে ধরা হয়েছে। কিন্তু সেই বর্ধিত বেতন বাস্তবে কর্মচারীরা কবে পাবেন, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অতীতের ‘রোপা’ (ROPA) বা পে কমিশনের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছিল, পে কমিশন গঠন, রিপোর্ট জমা দেওয়া থেকে সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অনেকটাই সময় লেগে যায়।
হিসেব মতো যদি ২০২৬-এর জানুয়ারি থেকে নয়া নিয়ম চালু হয় এবং বাস্তবে তা কার্যকর করতে আরও সময় লাগে তবে মধ্যবর্তী সময়ের যে বকেয়া তা কর্মচারীরা পাবেন কিনা, সেই বিষয়েও চর্চা চলছে। সবমিলিয়ে নতুন এই বিধির নাম ‘রোপা ২০২৭’ হবে নাকি আরও পরে কার্যকর হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
বাজেটে সপ্তম পে কমিশনের ঘোষণা করে অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ‘আনন্দের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম পে-কমিশন গঠনের ঘোষণা করছি। কমিশন রাজ্যের সকল সরকারি কর্মচারীদের আগামী দিনের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগসুবিধার বিষয়ে সুপারিশ করবে।’ বাজেটে কমিশন গঠনের সদিচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে ঠিকই তবে এরপর লম্বা প্রক্রিয়া রয়েছে।

আরও পড়ুন: কলকাতা হাই কোর্টেও দুর্নীতি! টাকা দিয়ে মামলার তালিকা বদল? তদন্তের নির্দেশ খোদ বিচারপতির
নয়া পে কমিশন গঠনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন জারি করবে রাজ্য। এরপর ঘোষণা করা হবে কমিশনের চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য সদস্যদের নাম। সেই কমিটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের সুপারিশ বা রিপোর্ট অর্থ দপ্তরে পেশ করবে। এরপর অর্থ দপ্তর সবুজ সংকেত দিলে পরই নতুন বেতন কাঠামো বলবৎ হবে সরকারি কর্মীদের। বাজেটে নয়া পে কমিশনের ঘোষণায় খুশি হলেও আপাতত দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের।













