বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে নিজেদের মতামত জানানোর সময়সীমা বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। ফলে বেতন কাঠামো, ডিএ ও অন্যান্য সুবিধা নিয়ে আরও বিস্তারিতভাবে মতামত জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
নতুন সময়সীমা ও কীভাবে জানাবেন মতামত (8th Pay Commission)
আগে মতামত জানানোর শেষ তারিখ ছিল ১৬ মার্চ। সেই সময়সীমা বাড়িয়ে এখন করা হয়েছে ৩০ এপ্রিল ২০২৬। এই পুরো প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র অনলাইনে ‘MyGov’ পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে মোবাইল নম্বর বা ইমেল আইডি দিয়ে OTP-এর সাহায্যে লগ ইন করতে হবে। এরপর ১৮ দফার একটি প্রশ্নমালার উত্তর দিতে হবে। এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে, কাগজে, ইমেল বা PDF আকারে পাঠানো কোনও প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে না।
কারা এই সমীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন?
এই বিশেষ সমীক্ষায় নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি ও সংস্থাকে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন—
- বিভিন্ন মন্ত্রক, বিভাগ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কর্মরত সরকারি কর্মচারীরা
- বিচারবিভাগীয় আধিকারিক ও আদালতের কর্মীরা
- কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ও পেনশনভোগীদের সংগঠন বা ইউনিয়ন
- গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের অনুমোদিত নোডাল আধিকারিকরা
কেন এই সমীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ?
অষ্টম পে কমিশনের (8th Pay Commission) ভবিষ্যৎ সুপারিশ অনেকটাই নির্ভর করবে এই প্রশ্নমালার উত্তরের উপর। অর্থাৎ কর্মীদের মতামত অনুযায়ীই আগামী দিনের বেতন কাঠামো, মহার্ঘ ভাতা (DA) এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার রূপরেখা তৈরি হতে পারে। এছাড়া, যাঁরা এই সমীক্ষায় অংশ নেবেন, তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে সিভিকদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! কত টাকা বাড়ল?
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে গঠিত এই অষ্টম পে কমিশনের (8th Pay Commission) নেতৃত্বে রয়েছেন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই। কমিটিতে আরও রয়েছেন অধ্যাপক পুলক ঘোষ এবং পঙ্কজ জৈন। এই কমিটিকে ১৮ মাসের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ১০ বছর অন্তর নতুন পে কমিশন কার্যকর হয়। সেই হিসেবে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে, সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মতামত এবার সরাসরি প্রভাব ফেলতে চলেছে ভবিষ্যতের বেতন ও ভাতা নির্ধারণে এটাই এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য।












