অষ্টম পে কমিশন নিয়ে বড় আপডেট! কবে থেকে বাড়বে কেন্দ্রীয় কর্মীদের বেতন? সামনে এল নতুন তথ্য

Published on:

Published on:

8th Pay Commission DA Merger Demand Before Implementation
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দেশের এক কোটিরও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগী এখন অষ্টম পে কমিশনের (8th Pay Commission) দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন। নতুন বেতন কাঠামো কবে চালু হবে এবং কর্মীদের হাতে কবে বেশি বেতন আসবে, তা নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অষ্টম পে কমিশনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। বিভিন্ন সংগঠন ও কর্মচারীদের কাছ থেকে মতামত নেওয়ার প্রক্রিয়াও চালু হয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে মতামত জানানোর সুযোগ

কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে ধীরে ধীরে কাজ এগোতে শুরু করেছে। নতুন বেতন কাঠামো কেমন হবে, তা ঠিক করার আগে কর্মচারী সংগঠন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে যে কেউ নিজের মতামত বা প্রস্তাব জানাতে পারবেন। তার জন্য শেষ সময় রাখা হয়েছে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম রয়েছে। কাগজপত্র, ইমেল বা পিডিএফ ফাইল পাঠিয়ে কোনও আবেদন করা যাবে না। সব প্রস্তাব জমা দিতে হবে অনলাইনের মাধ্যমে। এজন্য সরকারি পোর্টাল MyGov.in ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে।

কবে চালু হতে পারে নতুন বেতন কাঠামো?

অনেক কর্মচারী আশা করছেন দ্রুত নতুন বেতন কাঠামো চালু হবে। কিন্তু বাস্তবে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে। অষ্টম পে কমিশনকে (8th Pay Commission) তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য ১৮ মাস সময় দেওয়া হয়েছে। সেই সময়সীমা শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে অনেকের মতে, আলোচনা দ্রুত শেষ হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার চেষ্টা করা হতে পারে।

ডিএ হিসাবেও আসতে পারে পরিবর্তন

সাধারণত নতুন পে কমিশন চালু হলে মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ-র হিসাব নতুন করে শুরু হয়। বর্তমানে সংশোধনের পর ডিএর হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ শতাংশে। অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission) চালু হলে আবার নতুন করে ডিএ বাড়তে শুরু করবে। তবে এর ফলে সরকারের খরচও অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ যুবসাথীর টাকা এখনও আসেনি? কেন দেরি হচ্ছে, কারা আগে পাচ্ছেন, জানুন

উল্লেখ্য, সপ্তম পে কমিশন চালু হওয়ার সময় সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১.০২ লক্ষ কোটি টাকা। এবার কর্মচারী ও পেনশনভোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনুমান করা হচ্ছে, নতুন পে কমিশন কার্যকর হলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় ২.৪ থেকে ৩.২ লক্ষ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। শেষ পর্যন্ত সব পক্ষের মতামত নিয়ে কমিশন রিপোর্ট তৈরি করবে। সেই রিপোর্ট জমা পড়ার পরই পরিষ্কার হবে নতুন বেতন কাঠামো (8th Pay Commission) কবে থেকে কার্যকর করা সম্ভব।