বাংলাহান্ট ডেস্ক : কুকুর নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত। এর মাঝেই নতুন বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। কুকুরের কামড়ে যদি মানুষের মৃত্যু হয় তবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সরকারকে দিতে হবে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ। মঙ্গলবার এমনই বার্তা দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার এবিসি রুলস কার্যকর করতেও সম্পূর্ণ ব্যর্থ বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
পথকুকুর নিয়ে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ, সন্দীপ মেহতা এবং এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। আইনজীবী অরবিন্দ দাতার আদালতের গত ৭ নভেম্বরের নির্দেশকে সমর্থন করতে গিয়ে বলেন, বন্যপ্রাণ এলাকাগুলিতে পথ কুকুরের সমস্যা নিয়ে আদালতের স্পষ্ট অবস্থান প্রয়োজন। বিশেষত লাদাখের মতো জায়গায়।

পশুপ্রেমীদের ভর্ৎসনা আদালতের: পথকুকুরদের যারা খাওয়ান তাদের দায়বদ্ধতা নিয়েও এদিন কড়া বার্তা দেয় সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত এদিন বলে, কুকুরদের যারা খাওয়ান, তারাও দায় এড়িয়ে যেতে পারেন না। বাড়িতে রাখুন বা নিজের কাছে রাখুন। রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়ে কামরানো, তাড়া করার কারোর নেই। কুকুর কামড়ালে তার শারীরিক এবং মানসিক প্রভাব থাকে আজীবন।
আরও পড়ুন : মাংস খাওয়ার জন্য খুন! পুলিশি জেরায় স্বীকার অভিযুক্তের, ‘নরখাদক’এর আতঙ্কে তোলপাড় কোচবিহার
কী পর্যবেক্ষণ আদালতের: গুজরাট হাইকোর্টের এক আইনজীবী কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেকথা উল্লেখ করে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বেঞ্চ উল্লেখ করে, পুরসভার কর্মীরা পরে কুকুর ধরতে গেলে তথাকথিত সারমেয়প্রেমীদের হাতেই তারা প্রহৃত হন। আইনজীবী অরবিন্দ দাতার আবেদন করেন, আদালতের গত ৭ নভেম্বরের নির্দেশ আদালত চত্বর এবং বিমানবন্দরেও প্রযোজ্য হোক।
আরও পড়ুন : রাজধানীর থেকেও দামী! বন্দে ভারত স্লিপারের ভাড়া দেখেই চোখ কপালে যাত্রীদের
অন্যদিকে পশুপ্রেমীদের পক্ষে আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী বলেন, তিনি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই বিষয়টিকে দেখেন। তবে কোনও একটি প্রজাতির প্রতি অতিরিক্ত আবেগ প্রদর্শন এলিট মানসিকতা। এরপরেই কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের ব্যর্থতার জন্যই এই সমস্যা। যারাই কুকুরের কামড়ে প্রাণ হারিয়েছেন তাদের জন্য দায়গ্রস্ত সরকারের উপরে বড় ক্ষতিপূরণ চাপানো হবে বলেও মন্তব্য করে আদালত।












