বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুরুলিয়ায় এক নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের (Rape) অভিযোগে এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং দ্রুত তদন্তে নেমে সাতজন অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করে। ঘটনায় পকসো ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
কী ঘটেছিল (Rape)?
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা কিশোরীর বাড়ি পুরুলিয়া শহরে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বছর ১৭ বয়সের ওই নাবালিকা বন্ধুর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। কিন্তু রাত হয়ে গেলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। এতে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান পরিবারের সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত নাবালিকার বাবা পুরুলিয়া সদর থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরই দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। রাতেই ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
এরপর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে ভয়াবহ অভিযোগ। নির্যাতিতা জানিয়েছে, রাতে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় সাত-আটজন যুবক তার পথ আটকায়। এরপর জোর করে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। রেললাইনের ধারে একটি চাষের জমিতে নিয়ে গিয়ে ওই কিশোরীকে গণধর্ষণ (Rape) করা হয় বলে অভিযোগ।
নির্যাতনের পরে কোনওরকমে ওই কিশোরী বাড়ি ফিরে আসার চেষ্টা করছিল। সেই সময়েই পুলিশ তার খোঁজ পায়। ঘটনার (Rape) কথা জানার পর সঙ্গে সঙ্গে কিশোরীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তার শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। নাবালিকার বয়ানের ভিত্তিতে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ দ্রুত সাত অভিযুক্ত যুবককে প্রথমে আটক করে। তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বাকি ছ’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ ডাকটিকিটে দেব! ভারতের ডাক বিভাগের বিশেষ স্বীকৃতিতে টলিউডে আলোড়ন
রবিবার ধৃতদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়। আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তদের সাতদিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এদিন আদালতেই কিশোরীর ঘটনার (Rape) গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।













