ফোস্কা পড়া গরম আসছে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকেই, সঙ্গে থাকবে এল নিনো

Published on:

Published on:

The extreme heat will make life unbearable
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: জানুয়ারি মাসের শেষ, কিন্তু শীতের প্রকোপ সেভাবে আর অনুভূত হচ্ছে না। যদিও এখন মাঘ মাস চলছে। কিন্তু আশা করা হচ্ছে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ভালো গরম (Extreme Heat) পড়তে শুরু করবে। এবারে গ্রীষ্মে উষ্ণতা, রেকর্ড ভাঙতে পারে অন্যান্য বছরের পরিপ্রেক্ষিতে।

তীব্র গরমে (Extreme Heat) প্রাণ হবে ওষ্ঠাগত

দেশের একটা বড় অংশে ধীরে ধীরে ঠান্ডা কমছে, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গও আছে। অন্যদিকে হিমাচল, জম্বু কাশ্মীর, সিকিম ইত্যাদি জায়গায় কিন্তু তুষারপাত হচ্ছে। তবে এবার বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে ভয়ংকর গরম পড়বে বলে আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছে। অক্সফোর্ড গবেষকদের মতে কিছু কিছু জায়গায় তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত হবে। যেমন নাইজেরিয়া, দক্ষিণ সুদান, লাওস, ব্রাজিলের মতো দেশ ইত্যাদি জায়গায়। সেই সঙ্গে ভারত বাংলাদেশ পাকিস্তান এইসব জায়গাতেও তাপমাত্রা বাড়বে।

আরও পড়ুন:লাড্ডুতে কী খাওয়ানো হচ্ছিল ভক্তদের? তিরুপতি কাণ্ডে CBI চার্জশিটে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

জানুয়ারির শেষ চলছে অথচ শীত সেভাবে আর নেই। মার্চ এপ্রিলে আশঙ্কা করা হচ্ছে তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে। ২০২৬ সালে ফিরছে এল নিনো, তাই উষ্ণতা বৃদ্ধির রেকর্ড ভাঙতে পারে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকেই তাপমাত্রা বেড়ে ৩২ বা ৩৪ ডিগ্রি হয়ে যাবে।

মার্চ থেকে সেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি হয়ে যাবে। অক্সফোর্ডের গবেষণায় দেখা গেছে যেগুলো শীতল অর্থাৎ কম তাপমাত্রার দেশ, সেখানেও কিন্তু আবহাওয়ার বিরাট পরিবর্তন ঘটবে। ব্রিটেন সুইডেন ফিনল্যান্ড প্রভৃতি জায়গায় উষ্ণতা ২০০ থেকে ২৫০ শতাংশ বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন:হটকেকের মতো বিকোচ্ছে টিকিট, বন্দে ভারত স্লিপার নিয়ে এবার বিরাট উদ্যোগ রেলের

The extreme heat will make life unbearable

বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে এই যে তাপমাত্রা বাড়বে এতে প্রায় ৩৭০ কোটি মানুষ এক্সট্রিম হিট বা চরম গরমের সন্মুখীন হবে। ২০৫০ সালের মধ্যে অতিরিক্ত মাত্রায় গাছ কেটে ফেলা জলাশয় বুজিয়ে দেওয়ার জন্য ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে প্রকৃতির, এই কারণেই প্রবল শীত বা প্রবল গরম দেখা দিচ্ছে। এবারে ঠান্ডার মাত্রা বেশি ছিল। এখন আবার শীত না যেতেই গরমের প্রভাব দেখা যেতে শুরু করেছে। তাই নিজেদের হাইড্রেটেড রাখতে হবে। দরকারে ডাক্তারি পরামর্শ মানতে হবে এই তীব্র গরমের দাবদাহ থেকে শরীরকে বাঁচাতে।