বাংলা হান্ট ডেস্ক: বেলডাঙা ঘটনায় (Beldanga Violence) অভিযুক্ত ৩১ জনকে নগরদায়রা আদালতে আজও সশরীরে হাজির করানো গেল না। ভিডিও কনফারেন্স-এর মাধ্যমে তাদের হাজির করানো হয়। অভিযোগ উঠেছে এনআইএ (NIA)-এর পক্ষ থেকে যে, রাজ্য সরকারের তরফে যথেষ্ট নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। যে কারণে অভিযুক্তদের বহরমপুর থেকে কলকাতায়, আদালতে হাজির করানো যাচ্ছে না।
বেলডাঙা ঘটনায় (Beldanga Violence) অভিযুক্তদের ভার্চুয়াল মাধ্যমে হাজিরা:
আগের দিনই সুপ্রিম কোর্ট বেলডাঙা ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে থাকবে বলে রায় দিয়েছে। তবে কেস ডায়েরি হস্তান্তর সংক্রান্ত ইস্যুর মীমাংসা এখনও হয়নি। বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে। তিনি ঝাড়খন্ডে কর্মরত ছিলেন। তার মৃত্যুকে ঘিরে বেলডাঙায় অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং সেই মামলাতেই হাইকোর্ট, তদন্তভার এনআইএ-কে দেয়।
সুপ্রিম কোর্টও সেই একই রায় বহাল রেখেছে এবং ইউএপিএ ১৫ নম্বর ধারা যুক্ত হবে কিনা, সে ব্যাপারে হাইকোর্টই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিন নিম্ন আদালতে শুনানি ছিল। সেখানে এনআইএ-র তরফে আইনজীবী শ্যামল ঘোষ অভিযোগ করেন, ‘আজও এসকর্টের অভাবে, অভিযুক্তদের আদালতে পেশ করা যায়নি। ৩১ জনের প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জেল কর্তৃপক্ষ পাঠিয়েছেন। ভার্চুয়াল প্রোডাকশনের আবেদন করছি’।
আরও পড়ুন: ১০০ ও ৫০০ টাকার নোটে বড় বদল! অচল হবে পুরনো নোট? কী জানাল RBI?
দুপুর দুটোতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে হাজিরা দেন অভিযুক্তরা। ৩১ জনের মধ্যে তিনজন নাবালক হওয়ায়, তাদের প্রোডাকশন হয়নি। রাজ্যের আইনজীবী অর্ক নাগ বলেন, ‘ইউএপিএ ধারা প্রয়োগের বিষয় হাইকোর্টে জমা দিতে হবে এনআইএ-কে। আগে সেটা দিক’। অন্যদিকে এনআইএ-তরফে আইনজীবী বলেন, ‘শীর্ষ আদালত কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। তাছাড়া ওই মামলার কেস ডায়েরী এখনও হস্তান্তর হয়নি। কেন দেওয়া হয় নি এই আদালত তদন্তকারী অফিসারকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছিল।’
আরও পড়ুন: তৃণমূল বিধায়ককে ‘খুনি’ বলে উল্লেখ! কাকদ্বীপে মন্টুরামের বিরুদ্ধে পড়ল পোস্টার

রাজ্যের তরফে কেস ডায়েরী হস্তান্তরের নির্দেশ যেন এখনই না দেওয়া হয়, এরকম অনুরোধ করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে বিচারক বলেন, ‘কেস ডায়েরি হস্তান্তর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অর্ডার আপলোড হলে আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি হবে’। এখন দেখা যাক এই মামলায় কত দ্রুত সিদ্ধান্ত হয় এবং হাইকোর্ট কি সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকে তাকিয়ে গোটা রাজ্যবাসী।

















