পণ্য পরিবহণে আসবে গতি! ১৬০ কিমি বেগে ছুটবে বন্দে ভারত মালগাড়ি

Published on:

Published on:

Indian Railways is introducing the Vande Bharat in a new avatar.
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) অত্যাধুনিক পরিষেবার প্রতীক বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এবার নতুন রূপে হাজির হতে চলেছে। যাত্রী পরিবহণে সাফল্যের পর এবার মালবাহী পরিষেবাতেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে উদ্যোগী হয়েছে ভারতীয় রেল। খুব শীঘ্রই চালু হতে চলেছে বন্দে ভারত কার্গো EMU; যার প্রথম প্রোটোটাইপ এই সপ্তাহেই চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে উদ্বোধনের সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুন রূপে বন্দে ভারতকে নিয়ে আসছে ভারতীয় রেল (Indian Railways):

রেলের এই নতুন মালবাহী ট্রেনটি প্রযুক্তিগত দিক থেকে অত্যন্ত উন্নত। সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে চলতে সক্ষম এই ট্রেনে থাকবে মোট ১৬টি কোচ বা রেক। একসঙ্গে প্রায় ২৬৪ টন পণ্য বহনের ক্ষমতা থাকায় এটি দেশের দ্রুতগতির লজিস্টিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। প্রচলিত মালগাড়ির তুলনায় এই ট্রেনের গতি ও দক্ষতা অনেকটাই বেশি বলে দাবি রেল কর্তৃপক্ষের।

আরও পড়ুন: জ্বালানি নিয়ে চিন্তার আবহেই ভারতের ‘মাস্টারস্ট্রোক’! দেশে আর হবে না বিদ্যুতের সঙ্কট

প্রাথমিকভাবে এই বন্দে ভারত কার্গো EMU-কে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হবে দেশের অন্যতম ব্যস্ত লজিস্টিক করিডোর দিল্লি এনসিআর থেকে মুম্বই রুটে। এই রুটে দ্রুত পণ্য পরিবহণের চাহিদা বেশি থাকায় নতুন ট্রেনটির কার্যকারিতা যাচাইয়ের জন্য এই পথকে বেছে নেওয়া হয়েছে। সফল হলে দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রুটেও এই পরিষেবা চালু করা হতে পারে।

এই ট্রেনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এর রিফার কন্টেইনার ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে পচনশীল খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ, দুগ্ধজাত পণ্য এবং অন্যান্য সংবেদনশীল সামগ্রী সহজেই পরিবহণ করা যাবে। বিশেষ করে ফার্মাসিউটিক্যালস ও কৃষিজ পণ্যের ক্ষেত্রে দ্রুত ডেলিভারি নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Indian Railways is introducing the Vande Bharat in a new avatar.

আরও পড়ুন: মাত্র ২৪ ঘণ্টায় করা যাবে লঞ্চ! ISRO-র প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের মাধ্যমে তৈরি হল ‘অগস্ত্য ১’ রকেট

রেল (Indian Railways) কর্তৃপক্ষের মতে, বন্দে ভারত কার্গো পরিষেবা চালু হলে দেশের পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা হবে। সময় কম লাগার পাশাপাশি লজিস্টিক খরচও কমতে পারে, যা ব্যবসায়ী ও শিল্পক্ষেত্রের জন্য বড় সুবিধা। প্রযুক্তি, গতি ও দক্ষতার সমন্বয়ে এই নতুন উদ্যোগ ভারতীয় রেলকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।