বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভোটের (Assembly Election) আবহে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ চড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুরে প্রচারে গিয়ে কড়া আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন সকাল থেকেই তৎপরতা বাড়িয়েছে ইডি (Enforcement Directorate)। খাদ্যশস্য সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্তে একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।
খাদ্যশস্য কেলেঙ্কারি প্রসঙ্গে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)
জানা গেছে, কলকাতা, বর্ধমান ও হাবড়া মিলিয়ে মোট ৯টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি শুরু করেছে। সূত্রের খবর, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা সহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ওঠা খাদ্যশস্য কেলেঙ্কারির অভিযোগের সূত্র ধরেই এই পদক্ষেপ। বসিরহাট থানায় দায়ের হওয়া অভিযোগপত্রে জানানো হয়েছিল, জনসাধারণের জন্য বরাদ্দ গম বেআইনি ভাবে বাজারে পাচার হয়েছে।
এদিন প্রচারে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি খাদ্যশস্য কেলেঙ্কারি ঘটনায় সরাসরি অভিযোগ তোলেন, ‘হাবরার প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ১০ হাজার কোটি টাকার রেশন দুর্নীতি করেছেন। তার থেকে ৭৫ শতাংশ মমতার বাড়িতে পাঠিয়েছেন।’
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, একটি সুসংগঠিত চক্র দীর্ঘদিন ধরে এই কারবার চালাচ্ছিল। এই কাজে যুক্ত ছিল সরবরাহকারী, অনুমোদিত ডিলার, পরিবেশক এবং মধ্যস্বত্বভোগীরা। যাতে উৎস চিহ্নিত করা না যায়, তার জন্য এফসিআই এবং রাজ্য সরকারের চিহ্নযুক্ত আসল বস্তা খুলে অন্য বস্তায় ভরে দেওয়া হত। এরপর সেই পণ্যকে বৈধ দেখিয়ে খোলা বাজারে বিক্রি বা বাইরে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। এই গোটা ঘটনায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নামও উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন : কন্টেনারের সঙ্গে কনভয়ের ধাক্কা, বরাত জোরে বাঁচলেন মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা
সম্প্রতি, হাবড়ায় জনসভা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, “বালুর নামে বদনাম দিয়ে বেড়াচ্ছে। জেনে রাখুন, আমার গভর্নমেন্টে বালু যত ভাল কাজ করেছে, কেউ করতে পারেনি। ওকে হিংসে করে গ্রেফতার করেছিল। কোনও প্রমাণ পায়নি।CPIM পার্টি দেড় লক্ষ নাম রেশন কার্ডে ঢুকিয়ে দিয়েছিল। সেগুলো ভুয়ো ছিল। এই চুরি ধরেছিল বালু। তাই ভুয়ো কেসে ফাঁসিয়েছে ওঁকে।” নির্বাচনের আবহে খাদ্যশস্য দুর্নীতির অভিযোগ এখন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। বিরোধীদের তোপ এবং শাসক শিবিরের পাল্টা অবস্থান দু’পক্ষের এই বাকযুদ্ধ আগামী দিনে আরও তীব্র হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।













