ভাঙড়ে তৃণমূল ঘনিষ্ঠের বাড়িতে বোমা! ভোটের আগে NIA তদন্তে নতুন মোড়

Published on:

Published on:

Bhangar Bomb Recovery Case NIA Probe Begins
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভাঙড় (Bhangar)। এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে একসঙ্গে ৭৯টি তাজা বোমা উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। প্রথমে রাজ্য পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও, পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে তদন্তের দায়িত্ব যায় NIA-র হাতে। এত বড় পরিমাণ বিস্ফোরক মজুতের পিছনে বড় কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।

ভাঙ্গড়ে (Bhangar) কার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল বোমা?

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে (Bhangar) সম্প্রতি এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে ৭৯টি তাজা কাঁচা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। নির্দিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। অভিযুক্ত হিসেবে উঠে এসেছে রফিকুল ইসলামের নাম, যিনি শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

এই ঘটনায় প্রথমে কলকাতার ভাঙড় (Bhangar) ডিভিশনের উত্তর কাশী থানায় মামলা দায়ের হয়। পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে সেই মামলার দায়িত্ব নিজেদের হাতে তুলে নেয় ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)। ইতিমধ্যেই তারা এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এনআইএ-র তরফে জানানো হয়েছে, এতগুলি কাঁচা বোমা এবং অন্যান্য সন্দেহজনক সামগ্রী এক জায়গায় মজুত ছিল, যা সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তির জন্য বড়সড় বিপদের কারণ হতে পারত। ফলে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই দেখা হচ্ছে।

প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ হলেও, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এই ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এলাকায়। ভাঙড় (Bhangar) আগে থেকেই স্পর্শকাতর এলাকা হিসেবে পরিচিত, ফলে এই ঘটনার পর প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ঘটনার পরপরই নির্বাচন কমিশন নড়েচড়ে বসে। রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যারা বোমা তৈরির সঙ্গে যুক্ত তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে হবে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, এ ধরনের বিস্ফোরক সংক্রান্ত সব মামলাই এখন থেকে এনআইএ তদন্ত করবে।

Khejuri Cooperative Election Turns Violent Amid Bomb Allegations

আরও পড়ুনঃ ৭০০০ টাকা শিক্ষা ভাতা, সঙ্গে ২০০০ ডিজিটাল অ্যালাউন্স! অষ্টম বেতন কমিশনের প্রস্তাব ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

কমিশন আরও স্পষ্ট করেছে, ২৯ এপ্রিলের ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনও রকম ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের ১৪২টি আসনে ভোট হওয়ার কথা। তার আগে এই ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে। এখন নজর ২৯ এপ্রিলের দিকে। সেই দিন ভাঙ্গড়ের (Bhangar) পরিস্থিতি কতটা নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেটাই দেখার।