বাংলা হান্ট ডেস্ক: একসেন্ট কর্মস্থানে যাওয়ার জন্য আমরা সকলে ই ট্রেনে যাতায়াত করতে পছন্দ করে থাকি। পাশাপাশি সকলের মনে আমাদের একটি প্রশ্ন থাকে, যে ট্রেনেরও কি কখনো অবসর গ্রহণ হয়। আর হলে পরেও সেই ট্রেনগুলোকে কি করা হয়। আজকে প্রতিবেদনে সেই প্রশ্নের উত্তর রইল। পাশাপাশি ভারতীয় রেলের কাছে এই পুরনো ট্রেনগুলোর একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়া রয়েছে। যেখানে তাদের দ্বিতীয় জীবন শুরু হয়। অর্থাৎ যাত্রা শেষ হওয়ার পরও ট্রেনগুলি উপার্জন করতে থাকে।
ট্রেনেরও নির্দিষ্ট বয়সসীমা রয়েছে, তারপর কী হয় জানেন? (Indian Railways)
জানা যায় প্রতিটি ট্রেন, কোচ এবং ইঞ্জিনের একটি নির্দিষ্ট জীবনকাল থাকে। পুরনো আইসিএফ কোচ প্রায় ২৫–৩০ বছর পর্যন্ত চলে। আধুনিক এলএইচবি কোচের আয়ু প্রায় ৩৫ বছর পর্যন্ত হয়। তবে শুধু বয়সই একমাত্র কারণ নয়। যদি কোনও ট্রেন অনিরাপদ হয়ে যায়, মেরামতের খরচ খুব বেশি বেড়ে যায় অথবা প্রযুক্তি পুরনো হয়ে যায় তাহলে সেটিকে সময়ের আগেই পরিষেবা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় (Indian Railways)।

আরও পড়ুন: ভ্যাপসা গরমে মুখের স্বাদ ফেরাতে দুপুরের পাতে রাখুন মশলাদার মুরগির ঝুরো
এছাড়াও প্রতিটি ট্রেন, কোচ এবং ইঞ্জিনের একটি নির্দিষ্ট জীবনকাল থাকে। পুরনো আইসিএফ কোচ প্রায় ২৫–৩০ বছর পর্যন্ত চলে। আধুনিক এলএইচবি কোচের আয়ু প্রায় ৩৫ বছর পর্যন্ত হয়। তবে শুধু বয়সই একমাত্র কারণ নয়। যদি কোনও ট্রেন অনিরাপদ হয়ে যায়, মেরামতের খরচ খুব বেশি বেড়ে যায় অথবা প্রযুক্তি পুরনো হয়ে যায়।
এছাড়াও আসন, পাখা এবং আলো খুলে ফেলা হয়, জানালা সিল করে দেওয়া হয়। বডি আরও মজবুত করা হয়। এরপর এই কোচগুলো গাড়ি, ট্র্যাক্টর এবং ছোট ট্রাক বহন করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সেগুলি আরও প্রায় ৫–১০ বছর পর্যন্ত চলতে থাকে।যখন ট্রেন সম্পূর্ণভাবে অচল হয়ে যায় তখন তাকে স্ক্র্যাপ করা হয়।
এছাড়াও ট্রেনকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলা হয়। লোহা, স্টিল, কপার, অ্যালুমিনিয়ামের মতো উপকরণ আলাদা করা হয়। সিট, এসি, ব্যাটারি, লাইটের মতো অংশগুলো পুনরায় ব্যবহার বা পুনর্ব্যবহার করা হয় (Indian Railways)।













