বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে,
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (CCEA) বুধবার রেল মন্ত্রকের (Indian Railways) আহমেদাবাদ থেকে ধোলেরা পর্যন্ত সেমি হাই-স্পিড ডাবল লাইন রেল প্রকল্পের অনুমোদন করেছে। প্রায় ২০,৬৬৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পটি হবে ভারতীয় রেলের প্রথম দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর সেমি হাই-স্পিড রেল প্রকল্প।
ভারতের প্রথম সেমি হাই-স্পিড রেল প্রকল্পের (Indian Railways) অনুমোদন:
জানিয়ে রাখি যে, প্রায় ১৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নতুন রেললাইনটি অত্যাধুনিক রেল সংযোগের মাধ্যমে আহমেদাবাদ, ধোলেরা স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট রিজিয়ন (SIR), নির্মাণাধীন ধোলেরা বিমানবন্দর এবং লোথাল ন্যাশনাল মেরিটাইম হেরিটেজ কমপ্লেক্সকে সংযুক্ত করবে। এটি সম্পন্ন হলে আহমেদাবাদ ও ধোলেরার মধ্যে যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। এটি যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে আরও সুবিধা প্রদান করবে।

রেলের ইতিহাসে এক নতুন সূচনা: ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, ‘আহমেদাবাদ-ধোলেরা সেমি হাই-স্পিড রেল প্রকল্পটি ভারতের রেলের ইতিহাসে এক নতুন সূচনা। এটি শুধু একটি রেললাইন নয়, বরং নতুন ভারতের আধুনিক, দ্রুত এবং আত্মনির্ভরশীল পরিবহণ ব্যবস্থার প্রতীক। দেশীয় প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এই প্রকল্পটি আগামী বছরগুলিতে দেশজুড়ে সেমি হাই-স্পিড রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ভিত্তি তৈরি করবে।’
প্রকল্পটি ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে: উল্লেখ্য যে, এই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর গতি শক্তি জাতীয় মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। যার লক্ষ্য হল মাল্টি-মডেল কানেক্টিভিটি এবং লজিস্টিকস দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এই প্রকল্পের ফলে প্রায় ২৮৪ টি গ্রাম এবং প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। ভারতীয় রেলের মতে, এই প্রকল্পটি প্রত্যক্ষভাবে পরিবেশ সুরক্ষাতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। এর ফলে প্রায় ০.৪৮ কোটি লিটার জ্বালানি সাশ্রয় হবে। এছাড়াও, প্রায় ২ কোটি কিলোগ্রাম কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) নির্গমন হ্রাস পাব। যা প্রায় ১০ লক্ষ গাছ লাগানোর পরিবেশগত সুফলের সমতুল্য। জানা গিয়েছে, প্রকল্পটি ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
আরও পড়ুন: ভারতের অর্থনীতি পাবে বড় শক্তি! মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কটের আবহেই সরকারকে কয়েক লক্ষ কোটির উপহার RBI-র
বিশ্বমানের রেল কানেক্টিভিটি: এই প্রসঙ্গে আহমেদাবাদ বিভাগের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM) বেদ প্রকাশ জানিয়েছেন যে, এই প্রকল্পটি গুজরাটের শিল্প ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি আহমেদাবাদ এবং ধোলেরা অঞ্চলে বিশ্বমানের রেল কানেক্টিভিটি প্রদান করবে। এর ফলে যাত্রীরা দ্রুত, নিরাপদ এবং আধুনিক ভ্রমণের সুবিধা পাবেন। এটি ওই অঞ্চলের কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে শিল্প এবং লজিস্টিকস সেক্টরকেও উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত করবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ধোলেরা ও আহমেদাবাদের মধ্যে দূরত্ব ১ ঘণ্টারও কম সময়ে নেমে আসবে এবং ধোলেরা সরাসরি আহমেদাবাদ মুম্বাই হাই-স্পিড রেল করিডোরের সঙ্গে সংযুক্ত হবে।
আরও পড়ুন: Jio-র IPO-র আগে বড় সিদ্ধান্ত! ইশা-অনন্তকে টেক্কা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেলেন আকাশ আম্বানি
প্রকল্পটি ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে: প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর ‘গতি শক্তি জাতীয় মহাপরিকল্পনা’র সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যার লক্ষ্য হলো বহুমুখী সংযোগ এবং লজিস্টিকস দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এই প্রকল্পের ফলে প্রায় ২৮৪টি গ্রাম এবং প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। ভারতীয় রেলের মতে, প্রকল্পটি পরিবেশ সুরক্ষাতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। এর ফলে প্রায় ০.৪৮ কোটি লিটার জ্বালানি সাশ্রয় হবে। এছাড়াও, প্রায় ২ কোটি কিলোগ্রাম কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) নির্গমন হ্রাস পাবে, যা প্রায় ১০ লক্ষ গাছ লাগানোর পরিবেশগত সুফলের সমতুল্য। প্রকল্পটি ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে।













