BJP দরজা খুললেই তৃণমূলের ২০ সাংসদের ‘ফুল’ বদল? অপেক্ষায় কারা? বিস্ফোরক সৌমিত্র খাঁ

Published on:

Published on:

TMC Split Buzz After Soumitra Khan Big BJP Claim
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। কোথাও প্রশাসনিক বৈঠক, কোথাও আবার বিরোধী ও শাসক দলের নেতাদের হঠাৎ সাক্ষাৎ, সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-র (Soumitra Kha) একটি মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় পড়েছে। তাঁর দাবি, বিজেপি নেতৃত্ব সম্মতি দিলেই তৃণমূলের বহু সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতে প্রস্তুত।

তৃণমূল-বিজেপি জল্পনায় বাড়ছে রাজনৈতিক চর্চা

বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার-সহ কয়েকজন তৃণমূল বিধায়ক। সাধারণভাবে এটা স্বাভাবিক প্রশাসনিক বৈঠক হলেও, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ঘটনা অনেকের নজর কেড়েছে। কারণ, এ রাজ্যে শাসক ও বিরোধীদের একসঙ্গে দেখা খুব একটা হয় না।

কী বলেছেন সৌমিত্র খাঁ (Soumitra Kha)

এই পরিস্থিতির মধ্যেই বড় দাবি করেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ (Soumitra Kha)। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব, শুভেন্দু অধিকারী এবং শমীক ভট্টাচার্য যদি দরজা খুলে দেন, তাহলে তৃণমূলের প্রায় ২০ জন সাংসদ বিজেপিতে আসতে প্রস্তুত রয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা।

অন্যদিকে, কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠকের পর বিধানসভায় যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসুর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়, শঙ্কর ঘোষ এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, বিধানসভার বিভিন্ন কমিটি গঠন ও আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তবে সেই বৈঠকের মাঝেই সেখানে পৌঁছে যান তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। তাঁদের উপস্থিতি ঘিরেও শুরু হয় নতুন চর্চা। বৈঠক শেষে ঋতব্রত বলেন, রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে সরকারের পাশে থাকবেন তিনি। প্রায় ১৫ মিনিট সেখানে ছিলেন দুই তৃণমূল বিধায়ক।

Soumitra Khan Says Gold May Be Found in His Ancestral Village

আরও পড়ুনঃ ভোটার কার্ডই শেষ কথা নয়! ‘SIR’ ক্ষমতা বহাল রেখে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

এর আগেও দিল্লিতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি দলীয় বৈঠকেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ঋতব্রত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনেই তিনি জাহাঙ্গির খানকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি তোলেন। একই দাবি করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহাও। সব মিলিয়ে বলা যায়, একের পর এক ঘটনা এখন রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।