বাংলা হান্ট ডেস্ক: উচ্চ মাধ্যমিক (WBCHSE) শিক্ষা সংসদের সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পার্থ কর্মকার। জানা যায় বৃহস্পতিবার স্কুল শিক্ষার দফতরে নিজের পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন তিনি। আর এই খবর জানাজানি হতেই রাজ্য রাজনীতিতে ফের একবার উত্তপ্ত হয়েছে পারদ।
সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পার্থ, শিক্ষা মহলে চর্চা (WBCHSE)
বৃহস্পতিবারই বিকাশ ভবনে পূর্বতন সরকারের মনোনীত পদাধিকারীদের সরে যাওয়ার কথা জানান উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। ওইদিন সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট জানান, কলেজ পরিচালন সমিতি বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতি থেকে ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গত ৯ মে শপথ নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। তার পরই নির্দেশিকা জারি করে বিদায়ী সরকারের মনোনীত পদাধিকারীদের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয় (WBCHSE)।

আরও পড়ুন: যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত, রবিবার দুই লাইনে বাড়ছে মেট্রো পরিষেবা
ভেঙে দেওয়া হয় সব কলেজের পরিচালন সমিতি। কিন্তু, এখনও কোনও কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতি বা কলেজ পরিচালন সমিতিতে মনোনীত সদস্যেরা রয়ে গিয়েছেন বলে দাবি জগন্নাথের। এমনকি আচার্য মনোনীত সদস্যদেরও সরে দাঁড়ানো উচিত বলে মনে করেন তিনি।
২০২৬ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার চলাকালীন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি বদল করে তৃণমূল সরকার। তৎকালীন সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যকে রাতারাতি সরিয়ে পদে বসানো হয় পার্থ কর্মকারকে। তখনও বাকি ছিল প্র্যাকটিক্যাল-সহ কিছু পরীক্ষা। এর পর রাজ্যে পালাবদল ঘটে যায়। জারি করা হয় সরকার মনোনীত পদাধিকারীদের সরে যাওয়ার নির্দেশিকা।
তৃণমূল সরকারের আমলে পছন্দের ব্যক্তিদের বিভিন্ন পদে বসিয়ে কার্যত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃত্ব স্থাপন করার চেষ্টা চলেছিল বলে বার বার অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতা বদলের পর ওই ব্যক্তিদের আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ণায়ক পদে রাখতে চায় না বিজেপি।কিন্তু বাস্তব বলছে, এক ধাক্কায় সব পদাধিকারীদের সরিয়ে দেওয়া এবং পরিচালন সমিতি ভেঙে দেওয়ার ফলে সমস্যা পড়ছে কলেজগুলি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারি প্রতিনিধিরা যোগ না দেওয়া পর্যন্ত বৈঠক করতে পারছেন না কর্তৃপক্ষ (WBCHSE)।













