বাংলা হান্ট ডেস্ক : শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার (State Government)। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, এবার থেকে প্রাক-প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে পড়াশোনা করতে পারবেন। বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিনামূল্যে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের (State Government)
অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার মূল স্রোতে ধরে রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রের এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওড়িশা সরকার। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি বলেন, “আমাদের সরকার শিক্ষাকে বিনামূল্যে ও সার্বজনীন করার লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে। কেজি থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার মাধ্যমে রাজ্যের প্রত্যেক পড়ুয়া বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর পরিবারের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।প্রতিটি শিশুরই শিক্ষার সুযোগ পাওয়ার অধিকার রয়েছে।”
সম্প্রতি শিশুশ্রম বিরোধী দিবসে এই ঘোষণা করে শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষার গুরুত্বের কথা তুলে ধরে মাঝি বলেন, “কাঁধে বোঝার পরিবর্তে প্রতিটি শিশুর হাতে বই থাকা উচিত। বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবসে, আসুন আমরা প্রতিটি শিশুর শিক্ষা, সুরক্ষা এবং সুযোগের অধিকার রক্ষায় আমাদের অঙ্গীকার করি। অভাবের কারণে যে শিশুরা অন্ধকারে হারিয়ে যায় তাদের শিক্ষার আলোয় ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমাদের।”
এদিন শুধু নতুন শিক্ষানীতির কথাই নয়, গত দুই বছরে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে মাঝি লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গত ২ বছরে সুশাসনের এক নতুন অধ্যায় রচিত হয়েছে রাজ্যে। সরকার নারী ক্ষমতায়ন, কৃষক কল্যাণ, স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উপর মনোযোগ দিয়েছে। গণতন্ত্রে জনগণের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। জনগণের আস্থা ও আকাঙ্ক্ষা দ্বারা পরিচালিত হয়ে উন্নত ওড়িশা গড়ার আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

আরও পড়ুন : লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১৫০০ ও অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা নিয়ে বড় আপডেট, আবেদনকারীদের জন্য জরুরি
শিক্ষাকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ওড়িশা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষার পথ আরও সহজ হবে বলেই মনে করছে শিক্ষামহল।













