বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ক্ষমতায় আসার পরই বিজেপি সরকার স্পষ্ট করেছিল, পূর্ববর্তী কোনো জনমুখী প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। সেই মতো মমতা সরকারের রূপশ্রী প্রকল্পও (Rupasree Prakalpa) চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুভেন্দু সরকার (Government of West Bengal)। তবে বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। বদল আনা হয়েছে রূপশ্রী প্রকল্পের ফর্মে।
রূপশ্রী প্রকল্পের ফর্মে বদল | Rupashree Prakalpa
আর্থিকভাবে দুর্বল তরুণীদের বিয়েতে সাহায্য করার জন্য রূপশ্রী চালু করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের মেয়েদের বিয়ের সময় এককালীন ২৫,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে। বিজেপি সরকার এসেও এই রূপশ্রী প্রকল্পকে সচল রাখা হয়েছে। তবে ‘যোগ্যদের’ কাছে প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে কড়াকড়ি হয়েছে।
এবার থেকে ফর্মে আবেদনকারী কিংবা তাঁর পরিবারের এপিক নম্বর বা ভোটার কার্ডের নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক। যদি আবেদনকারী ট্রাইবুনালে আবেদন করেন বা বিচারাধীন থাকেন সেটারও উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া প্রকল্পের ফর্ম বদল করে নতুন ফর্ম আনা হয়েছে। আগে এই প্রকল্পের ফর্মে বিশ্ববাংলার লোগো থাকত, তার পরিবর্তে সরকারি অশোক স্তম্ভ রয়েছে নতুন ফর্মে।
পুরনো ফর্মে আবেদনকারীর মোবাইল নম্বর দেওয়ার পরই তাঁর ব্যাংক ডিটেলস পূরণ করতে হত। এবার সেখানে রয়েছে এপিক নম্বর। আবেদনকারীর নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় রয়েছে কি না তা লিখতে হচ্ছে একেবারে ফর্মের প্রথমেই। অর্থাৎ ভোটার কার্ডের নম্বর দেওয়ার জায়গা করা হয়েছে। ভোটার তালিকায় নতুন করে আবেদন করা হলে সেই অ্যাকনলেজমেন্ট নম্বরও চাওয়া হয়েছে।
২০১৮ সাল থেকে ‘রূপশ্রী’ প্রকল্প শুরু করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথমবার বিয়ের জন্য এককালীন পঁচিশ হাজার টাকা অনুদান দিয়ে থাকত রাজ্য সরকার। যে সব পরিবারের বার্ষিক আয় দেড় লক্ষ টাকার কম, সেই সব পরিবারের তরুণীরা রূপশ্রীর জন্য আবেদনযোগ্য।

আরও পড়ুন: ফের একবার পকেটে চাপ মধ্যবিত্তের! বাড়ল সোনার দাম, জানুন আজকের লেটেস্ট রেট
এছাড়া আবেদনের জন্য মেয়ের বয়স অবশ্যই ১৮ বছর হতে হবে। কেবলমাত্র অবিবাহিতা মেয়ে প্রথম বিয়ের জন্যই কেবলমাত্র এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে এই আবেদন গ্রহণ করা হবে না। পাত্রীর ১৮ আর পাত্রের বয়স হতে হবে নূন্যতম ২১ বছর। আবেদনকারীকে জন্মসূত্রে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে অথবা গত ৫ বছর বাংলায় বসবাস করতে হবে, অথবা তার বাবা-মাকে এ রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।













