বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলের (TMC) নেতা-কর্মীদের উপর শুরু হয়েছে ‘ডিম থেরাপি’। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ সহ দলের একাধিক সাংসদ, বিধায়কও এই ডিম-হামলার মুখে পড়েছেন। এবার তা থামাতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হল জোড়াফুল শিবির।
হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের তৃণমূলের | (Calcutta High Court)
তৃণমূলের অভিযোগ, দলের তিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুই বিধায়ক মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষের উপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এর পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও দলের কর্মীদের উপর আক্রমণের অভিযোগও এনেছে জোড়াফুল শিবির।
আরও পড়ুনঃ মুম্বই-ভেলোরে চিকিৎসার জন্য গেলে আর চিন্তা নেই, সাহায্য করবে সরকার! বাজেটে বড় ঘোষণা
জানা গিয়েছে, আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গেই দ্রুত শুনানির আবেদনও জানিয়েছেন শীর্ষণ্য। মঙ্গলবার উচ্চ আদালতে এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।
বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর গিয়ে জনরোষের মুখে পড়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘ডিম থেরাপি’র শিকার হয়েছিলেন তিনি। এরপর শ্রীরামপুরের সাংসদ তথা প্রবীণ নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে।

কয়েকদিন আগে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়া হয়। আবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের উপর তাঁরই বিধানসভা কেন্দ্রে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্টে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় এই বিষয়গুলি উল্লেখ করেছে তৃণমূল।
রাজ্যে পালাবদলের পর বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন বহু তৃণমূল নেতা। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ‘ডিম থেরাপি’র শিকারও হয়েছেন। এবার এই বিষয়টি থামাতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল। ইতিমধ্যেই জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। আগামীকাল শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

















