বিদেশ যেতে চেয়েই আদালতে ধাক্কা! অভিষেকের আবেদন খারিজ, কী বলল হাই কোর্ট?

Published on:

Published on:

High Court dismissed the urgent hearing of Abhishek Banerjee's application
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বিদেশে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সফরের অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তবে মামলাটির দ্রুত শুনানির আবেদন গ্রহণ করেনি আদালত। হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত নিয়ম মেনেই মামলাটি শুনানির তালিকায় আসবে।

অভিষেকের (Abhishek Banerjee) বিদেশ যাত্রার মামলা দ্রুত শুনানি নয়

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে অভিষেকের। সেই কারণেই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন তিনি। কিন্তু বুধবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে বিষয়টি উঠলেও তড়িঘড়ি শুনানির আর্জি খারিজ হয়ে যায়। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, অন্য মামলাগুলির মতোই এই আবেদনও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হবে। বিশেষ কারণে অবিলম্বে শুনানির যে আবেদন করা হয়েছিল, তার পক্ষে আদালত সম্মতি দেয়নি।

মঙ্গলবার অভিষেকের আইনজীবী আদালতের নজরে বিষয়টি আনেন। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, চোখের চিকিৎসাজনিত প্রয়োজনেই তাঁকে বিদেশে যেতে হবে। সেই কারণে সাত দিনের বিদেশ সফরের অনুমতি চাওয়া হয়েছে আদালতের কাছে। সূত্রের খবর, বিদেশ যাত্রার ক্ষেত্রে অভিষেকের উপর কোনও প্রত্যক্ষ নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে তাঁর নাম জড়িত একাধিক মামলা এখনও বিচারাধীন। সেই সব মামলার তদন্ত চলাকালীন প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করার নির্দেশ রয়েছে। ফলে চিকিৎসার কারণে বিদেশে যাওয়ার আগে আদালতের অনুমোদন নেওয়ার পথই বেছে নিয়েছেন তিনি।

High Court dismissed the urgent hearing of Abhishek Banerjee's application

আরও পড়ুন : ১ জুলাই কাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা? জেনে নিন

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের অক্টোবরে মুর্শিদাবাদে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি শেষে কলকাতায় ফেরার সময় সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই ঘটনায় তাঁর চোখের নীচের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি বিদেশেও একাধিকবার চিকিৎসা করাতে হয়েছিল তাঁকে। সেই পুরনো চোটের চিকিৎসার প্রয়োজনেই এবার বিদেশ সফরের অনুমতি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখন আদালতের নিয়মিত তালিকায় মামলাটি উঠলেই আবেদন সংক্রান্ত পরবর্তী সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হবে।