বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটে হারার পর থেকে তৃণমূলের উপর থেকে একেরপর এক ঝড় বয়েই চলেছে। ইতিমধ্যেই আজ দিল্লিতে ইলেকশন কমিশনের আছে গিয়ে নিজেদের আসল তৃণমূল (TMC Conflict) বলে দাবি জানিয়েছে ঋতব্রত অনুগামীরা। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরাও নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করেছেন।
মমতা ও ঋতব্রত উভয়কেই চিঠি পাঠালো জাতীয় নির্বাচন কমিশন
এবার এই মর্মে চিঠি দেওয়া হল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। মমতা ও ঋতব্রত দুই পক্ষকেই আগামী ৬ জুলাই বিকেল ৫টা অবধি সময় দেওয়া হয়েছে নিজেদের সমস্ত বক্তব্য ও নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য। এরপরেই জানা যাবে মমতা না ঋতব্রত কার কাছে যাবে তৃণমূল দলের নাম ও প্রতীক।
কি জানালেন ঋতব্রত?
কমিশন থেকে পাঠানো চিঠি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের তরফ থেকে জানতে চাওয়া হলে ঋতব্রত জানান, নির্বাচন কমিশন হল সর্বোচ্চ সংস্থা। তাদের যা জিজ্ঞাস্য ছিল তার প্রেক্ষিতে আমাদের যুক্তি আজ বৃহস্পতিবার জানিয়ে এসেছি। মোট ১০ জনের প্রতিনিধি দল গিয়েছিল যেখানে ৯ জন বিধায়ক ও ১ জন প্রাক্তন মন্ত্রী ছিলেন। বাকি যেটা জানানোর সেটা আগামী সোমবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে।
আরও পড়ুনঃ ফিরছে ৭৫০০ শ্রমিকের রোজগার, মাত্র ১০ দিনে ১৮ জুটমিল খোলার পথে শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং
জানা যাচ্ছে, দিল্লির বৈঠকে ঋতব্রত শিবিরের তরফ থেকে কালীঘাট পন্থী বা মমতা অনুগামীদের অবৈধ বলে দাবি করা হয়েছে। একইসাথে দলের দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক তাঁর সাথেই রয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রী আছে এমনকি কাউন্সিলার ও জেলা পরিষদের সদস্যরাও আমাদের সাথে রয়েছেন বলে সাফ জানিয়ে দেন ঋতব্রত। যদিও এদিন নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠক শেষে কমিশনার জ্ঞানের কুমারের জানান, নতুন কর্মসমিতি সম্পর্কে জানাতে সময় চাওয়া হয়েছে।
কালীঘাটের তৃণমূলের বক্তব্য
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, তিনি আগেই দলের জাতীয় কর্মসমিতির তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছেন। যেখানে চেয়ারম্যান হিসাবে উল্লেখ রয়েছে মমতার নাম। তবে এরপরবর্তী কোনো জবাব পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়নি।
আরও পড়ুনঃ ‘পরিস্থিতি খুব খারাপ’, বাস-ট্রাম থেকে টোটো পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে বড় ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রীর
এদিকে কুণাল ঘোষ মমতার অনুগামীদের অবৈধ বলায় পাল্টা বলেন, ‘বাড়িওয়ালার অনুমতি নিয়ে ভাড়াটে থাকে। ভাড়াটে তো আর আসল বাড়ীর মালিক নয়। যে দশ জন দিল্লি গেছে তাদের বলার সুযোগ তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৌলতেই। আসলে এই ভাড়াটেদের পিছনে নিশ্চই পাড়ার কোনো এক দাদা আছে। সেই বলছে গিয়ে দখল করে না। এমনকি নির্বাচন কমিশনের জ্ঞানের কুমারকেও বিজেপির মদতপুষ্ট বলে তোপ দাগিয়েছেন তিনি।













