ভেঙেছে তৃণমূল আমলের কমিটি, নতুন নিয়ম আসছে তারাপীঠের মা তারার মন্দিরে

Published on:

Published on:

New Rule for Puja in Tarapith Mandir as new Committee formed
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে পালা বাদলের পর বিজেপি সরকারের হাত ধরে দীর্ঘ ১৫ বছর পর তারাপীঠ মন্দিরের কমিটি ভেঙে তৈরি হলো নতুন কমিটি (Tarapith Mandir Committee)। নবগঠিত এই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গত বিধানসভা নির্বাচনে হাসনের বিজেপি প্রার্থী নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে তারাপীঠ মন্দিরের নতুন সম্পাদক করা হয়েছে মন্দিরের মুখ্য সেবায়েত এর পুলক চট্টোপাধ্যায়কে।

তারাপীঠে নতুন কমিটি গঠন বিজেপি সরকারের

নবগঠিত বিজেপি সরকারের হাত ধরে পুরনো কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন হওয়ার পর এদিন ব্যাপক উচ্ছাস ধরা পড়ল মন্দিরের নতুন সভাপতি নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। তবে বিজেপি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ ছিল, দীর্ঘদিন ধরে এই মন্দিরের এক শ্রেণীর সেবায়েতরা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে মন্দির কমিটি ধরে রেখেছিলেন।

বদলাচ্ছে পুজোর নিয়ম

তারাপীঠ মন্দিরের নতুন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর বিশেষ বার্তা দিয়েছেন পুলক চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, আগামী দিনে পুজোর নিয়মে বেশ কিছু বদল আসতে চলেছে। যদিও সকলের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেই জানানো হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা ভেবে আগামী দিনে পুজো দেওয়ার জন্য দুটো লাইন করা হবে। যার মধ্যে একটা লাইন জনসাধারণের জন্য আর একটা লাইন থাকবে বিশেষ দর্শনার্থীদের জন্য। এছাড়া যদি কোনো ভক্তের বিশেষ প্রশাসনিক প্রোটোকল থাকে তাহলে তাঁদের জন্য বিশেষ লাইনের ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুনঃ মমতা না ঋতব্রত, কার হবে তৃণমূল? জবাবদিহি চেয়ে ডেডলাইন দিল নির্বাচন কমিশন

৫১ টি শক্তি পিঠের মধ্যে অন্যতম তারাপীঠ

ভারতবর্ষ জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ৫১ টি শক্তি পিঠের মধ্যে অন্যতম পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠ। কথিত আছে এই শক্তিক্ষেত্রেই দেবী সতীর চোখের তারা এসে পড়েছিল। সেই থেকেই এই পবিত্র তীর্থক্ষেত্রটি ভারতবাসীর কাছে তারাপীঠ নামে পরিচিত।

আরও পড়ুনঃ ফিরছে ৭৫০০ শ্রমিকের রোজগার, মাত্র ১০ দিনে ১৮ জুটমিল খোলার পথে শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং

শক্তিপীঠ ছাড়াও তারাপীঠ তন্ত্রসাধনার অন্যতম প্রসিদ্ধ সাধনভূমি বলে বিখ্যাত। তাই বহু শতাব্দী ধরে এই মন্দিরটির তন্ত্রসাধকদের কাছে এক প্রকার আঁতুড়ঘড় হয়ে উঠেছে। মন্দিরের পাশেই রয়েছে মহাশ্মশান। আজও সেখানে বহু তান্ত্রিক তন্ত্র সাধনা করে থাকেন। এই মন্দিরে কালীপুজোর সময় তো বটেই পাশাপাশি সারাবছর অমাবস্যা এবং বিশেষ তিথি-নক্ষত্রের দিনেও বিপুল ভক্ত সমাগম ঘটে থাকে।