বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিগত সরকারের বিরুদ্ধে একটা বড় অভিযোগ ছিল যে দীর্ঘ পনেরো বছরে সেভাবে কোনো শিল্প হয়নি! তবে এবার বিজেপি সরকার আসতেই একেরপর এক শিল্পের আটকে থাকা জট যেমন খুলছে তেমনি নতুন শিল্পেরও ঘোষণা আসছে। এই যেমন সম্প্রতি উৎপাদন হওয়া পণ্য যাতে আরও বেশি গুণমান সম্পন্ন হয় তার জন্য ৬৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ হচ্ছে হলদিয়া আইওসি রিফাইনারিতে (Haldia IOC Refinery) ।
৬৫০ কোটি বিনিয়োগ হলদিয়া আইওসি রিফাইনারিতে
শুক্রবার IOC এর উদ্যোগে একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ সারদা মিশন আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক বিবেকাত্মানন্দজি মহারাজ, রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুমন চক্রবর্তী, এমপ্লয়িজ ইউনিয়ানের সম্পাদকঃ পার্থ সাহা ও সিএসআর প্রধান রাজীব মন্ডল।
সেখানেই হলদিয়া রিফাইনারির এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর সুশান্তকুমার দাস জানান, প্রোপিলিন রিকোভারি ইউনিট বা PRU ও DSS নামের দুটি প্রকল্প হচ্ছে। যার মধ্যে PRU প্রকল্পে ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে। অন্যদিকে DSS প্রকল্পে ১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে। এই দুই প্রকল্প সঠিকভাবে সম্পন্ন হলেই হলদিয়া রিফাইনারি ভবিষ্যতে পেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্পের দিকে প্রথম পদক্ষেপ নেবে।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যের শ্রমিকদের জন্য সুখবর, বাড়ছে নূন্যতম মজুরি! দেখে নিন কোন এলাকায় বাড়বে কত
মৌমাছি প্রতিপালনের ট্রেনিং স্থানীয় মহিলাদের
তবে শুধুমাত্র বড়সড় বিনিয়োগই নয়, সাথে স্থানীয় মহিলাদের স্বনির্ভর করতেও উদ্যোগী আইওসি। জানা যাচ্ছে তারা একটি মৌমাছি পালনের সিএসআর (CSR) প্রজেক্ট চালু করেছে। যেখানে হলদিয়া পৌরসভা, সুতাহাটা ও হলদিয়া ব্লকের মোট ৩০ জন মহিলারা রয়েছেন। তাদের প্রশিক্ষণ যেমন দেওয়া হয়েছে তেমনি মৌমাছি চাষের সরঞ্জামও দেওয়া হয়েছে। কাঠের তৈরী বিশেষ মৌমাছি চাষের বাক্স থেকে শুরু করে উঁচু কাঠের টুল, মধু নিষ্কাশন যন্ত্র দেওয়া হয়েছে।
রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের সাথে নেওয়া হবে যৌথ উদ্যোগ
আইওসিএর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, রামকৃষ্ণ সারদা মিশন আশ্রমের সাথে মিলে এই প্রকল্প বাস্তবে রূপায়ণ করা হবে। যার জন্য সুন্দরবন থেকে দক্ষ প্রশিক্ষক ও মৌমাছিও আনা হয়েছে ইতিমধ্যেই। তিন দিনের ট্রেনিংও হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ আর কতদিন প্রাণের অস্তিত্ব থাকবে পৃথিবীতে? নতুন গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
দূষণের মাঝে কিভাবে মৌমাছি চাষ?
একটা শিল্প এলাকায় কিভাবে মৌমাছি চাষ করা হবে? এই প্রশ্ন উঠতে জানানো হচ্ছে, হলদিয়াতে আপাতত ছোট ছোট আকারের মৌমাছি চাষের প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। তাছাড়া সেখানে দূষণের পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়নগরণে আছে কি না সেটার জন্য বায়োইন্ডিকেটর হিসাবেও আগামীদিনে মৌমাছি চাষ করা হবে। চাষ সফল হলে বায়ো ফেন্সিং করা হবে। এছাড়াও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির জন্য একদি বাস টার্মিনাল ও বার্ন ইউনিটও তৈরী করছেন তিনি।













