বাড়ি ভাড়া নিয়ে লিভ ইনে মামি-ভাগ্নে! ‘খুন’ করে আত্মঘাতী মামি, চাঞ্চল্যকর ঘটনা বসিরহাটে

Published on:

Published on:

Aunt and Nephew unnatural death in Basirhat
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কথায় আছে,’প্রেমে পড়লে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়।’ তাই বলে মানুষ খুনের মতো নিকৃষ্ট অপরাধ? সাম্প্রতিককালে ঘটে যাওয়া এমনই এক ঘটনায় এবার বিরাট চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে (Basirhat)। ভাগ্নের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে লিভ ইন তারপর খুন এরপর শেষ পরিণতিতে ‘আত্মহত্যা’ মামির।

বসিরহাটে উদ্ধার জোড়া মৃতদেহ

সূত্রের খবর, শনিবার সকালে বসিরহাটের সাঁইপালা সংলগ্ন এলাকার একটি ভাড়াবাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, দেবাশিস মণ্ডল নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ (৩২)। অন্যদিকে ওই ভাড়াবাড়িরই অপর এক বাসিন্দা রুনু মণ্ডলের (৩৩) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বসিরহাটের অনন্তপুর রেললাইন থেকে।

মামি-ভাগ্নের অবৈধ প্রেমের চরম পরিণতি

সবমিলিয়ে বসিরহাটে মামি-ভাগ্নের মৃতদেহ উদ্ধার এবং তার নেপথ্য কাহিনী ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। জানা যাচ্ছে, সম্পর্কে মামি-ভাগ্নে হলেও বছরখানেক আগেই সম্পর্কে জড়ান তাঁরা। তারপর বাড়িতে জানাজানি হতেই অশান্তির জেরে সাঁইপালার ওই ভাড়াবাড়িতে লিভ ইন-এ থাকতে শুরু করেন যুগল। আসলে তারা দুজনেই বসিরহাটের ট্যাটরা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী, স্বচ্ছ নিয়োগের উদ্দেশ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশন নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

দেবাশিসের পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে তাঁদের ছেলে বিগত কয়েকদিন ধরে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন। বাড়িতে ফোন করে তিনি নাকি তাঁর বাবাকে সেকথা জানিয়েওছিলেন। এমনকি তিনি নাকি বাড়িতে ফিরতেও চেয়েছিলেন।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেবাশীষের আর বাড়ি ফেরা হল না। এরইমধ্যে ঘটে যায় মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা। শুক্রবার রাতে দেবাশিসের বাবার কাছে ফোন করে রুনু মণ্ডল। ফোনেই মৃত্যুসংবাদ দিয়ে সে দেবাশিষের বাবাকে বলে, ‘মেরে দিয়েছি ওকে, আর এবার আমিও আত্মহত্যা করব।’ এই ঘটনার পর থেকেই তাঁদের সাথে আর যোগাযোগ করা যায়নি।

অবশেষে শনিবার সকালে পুলিশ গিয়ে সাঁইপালার ওই ভাড়া বাড়ির দরজা ভেঙে দেবাশিস মণ্ডলের মৃতদেহ উদ্ধার করে। অন্যদিকে একইদিনে বসিরহাটের অনন্তপুর রেললাইন থেকে উদ্ধার করা হয় রুনু মন্ডলের মৃতদেহ। দেবাশীষের পরিবারের দাবি রুনুই তাঁদের ছেলেকে খুন করে নিজে আত্মহত্যা করেছে। যদিও তদন্তকারীরা এই মুহূর্তে দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন। সত্যিই এই জোড়া মৃত্যু আসলে খুন আর আত্মহত্যা নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনো রহস্য তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।