বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ খুন কাণ্ডের (Baruipur Rape and Murder Case) অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের পুলিশের এনকাউন্টারে (Baruipur Encounter) মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনা পুনর্নির্মাণের জন্য তাঁকে সূর্যপুরের অকুস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, সেই সময় এক তদন্তকারী আধিকারিকের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন প্রভাস। সেই সময় পুলিশ বাধ্য হয়ে গুলি চালালে তাঁর মৃত্যু হয়।
বারুইপুরে এনকাউন্টারের আগে যা যা ঘটেছিল | (Baruipur Encounter)
বারুইপুর কাণ্ডের তদন্তের জন্য ইতিমধ্যেই সিট তথা বিশেষ তদন্তকারী টিম তৈরি করেছে বারুইপুর জেলা পুলিশ। গতকাল রাতে সেই সিটের সদস্যরা ও বারুইপুর থানার একটি টিম মিলে অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাসকে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে যায়। সূর্যপুরের অকুস্থলে পৌঁছতেই পরিস্থিতি এক নাটকীয় মোড় নেয়।
আরও পড়ুনঃ বাসে সফর এবার আরও আরামের! চালু হচ্ছে ৩টি এসি বাস রুট, কোন কোন রুটে চলবে জানুন
অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ি থেকে নামার সময় ক্যানিং থানার সাব-ইনস্পেক্টর তথা সিটের সদস্য রনি সরকারের কোমরে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেন অভিযুক্ত প্রভাস। পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ডও গুলিও চালান বলে অভিযোগ।
এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে তাঁকে লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালান বারুইপুর থানার সাব-ইনস্পেক্টর তথা সিটের আরেক সদস্য অর্ঘ্য মণ্ডল। সেই গুলি প্রভাসের শরীরে লাগতেই সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

অন্ধকারের মধ্যে প্রভাস আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার পর যা কিছু ঘটে যেতে পারত। পুলিশকর্মীরা আহত হওয়ার পাশাপাশি বারুইপুর কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত তথা সাক্ষী প্রভাসের গা ঢাকা দেওয়ারও সম্ভাবনা ছিল। এই অবস্থায় কার্যত বাধ্য হয়ে গুলি চালান পুলিশ অফিসার অর্ঘ্য মণ্ডল। সেই গুলি লেগে প্রাণ হারান বারুইপুর কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত।
বারুইপুর ধর্ষণ খুন কাণ্ডে সর্বপ্রথম এই প্রভাস গ্রেফতার হয়েছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরায় তাঁর সঙ্গে নির্যাতিতাকে যেতে দেখা গিয়েছিল ও নাবালিকার দেহ কোথায় রয়েছে সেটাও তিনিই দেখিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তাঁর দেহের ইনকোয়েস্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এরপর ময়নাতদন্ত হবে।













