সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে কড়াকড়ি! বড় হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

Published on:

Published on:

Government of West Bengal big decision about Government doctor private practice
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ স্বাস্থ্যক্ষেত্রের উন্নয়নে বিশেষ নজর দিয়েছে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। এবার সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের (Government Doctors) প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে কড়াকড়ি শুরু হল। রবিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্পষ্ট জানান, সরকারি হাসপাতালে ডিউটি আওয়ার্সের সময় কিছুতেই আর প্রাইভেট প্র্যাকটিস করা যাবে না। এবার থেকে একেবারে ঘড়ি ধরে হাসপাতালে ডিউটি করতে হবে তাঁদের।

সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিয়ে কড়াকড়ি রাজ্যের | (Government of West Bengal)

এদিন একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন তিনি। শারদ্বত বলেন, “সরকারি হাসপাতালের ডিউটি আওয়ার্সের মধ্যে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করা যাবে না। শিক্ষক ডাক্তাররা অন্তত ৯৬ ঘণ্টা হাসপাতালে ডিউটি দিন”।

আরও পড়ুনঃ নতুন তৃণমূলই বৈধ! আদালতের নির্দেশনামা পড়ে শোনালেন ঋতব্রত, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের বেতন দেওয়া হয়। সেই কারণে যখন যে চিকিৎসকের সরকারি হাসপাতালে ডিউটি থাকবে, তখন বাইরে প্র্যাকটিস করা যাবে না। ডিউটি আওয়ার্সে শুধুমাত্র সাধারণ মানুষকেই পরিষেবা দেওয়া যাবে। এর অন্যথা হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ভবনে সারপ্রাইভ ভিজিট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার। স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে নতুন তৈরি কন্ট্রোল রুম ঘুরে দেখার পাশাপাশি স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি ও হাসপাতালগুলিকে দালালরাজ মুক্ত করার কথা বলেন তিনি।

Government of West Bengal health minister Sharadwat Mukhopadhyay

এবার রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলির চিকিৎসকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্পষ্ট জানালেন, হাসপাতালে ডিউটির সময় বাইরে প্র্যাকটিস করা যাবে না। যদি এমনটা করা হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ মানুষের প্রচুর সুরাহা হবে বলে মনে করছেন অনেকে।