বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) দীর্ঘদিনের জয়যাত্রায় এবার জুড়ে গেল পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন (Hydrogen Train)। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে এক ঐতিহাসিক মুহুর্তের সাক্ষী থেকেছেন গোটা দেশবাসী। এইদিন হরিয়ানায় জিন্দ রেলওয়ে স্টেশনে সবুজ পতাকা নেড়ে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের আনুষ্ঠানিক যাত্রার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
উন্নত মানের এই হাইড্রোজেন ট্রেন শুধু প্রযুক্তিগত দিক দিয়েই নয় দামের দিক থেকেও টক্কর দিচ্ছে বন্দেভারত ট্রেনকে। তাই দেখতে ঝাঁচকচকে হলেও হাইড্রোজেন ট্রেনের টিকিটের দাম কিন্তু সাধারণ মানুষের একেবারে সাধ্যের মধ্যে। শুনতে অবাক লাগলেও এই ট্রেনের টিকিটের ভাড়া শুরুই হচ্ছে ৫ টাকা থেকে আর সর্বোচ্চ ভাড়া ২৫ টাকা।

বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির মতোই এবার হাইড্রোজেন-নির্ভর রেল পরিবহণ ব্যবস্থার তালিকায় নাম লেখাল ভারত। তবে দেখতে প্রিমিয়াম হলেও এই হাইড্রোজেন ট্রেনের মূল ইউএসপি কিন্তু এর টিকিটের দাম। ট্রেনে লোকাল ট্রেনের ন্যায় সিট বসানো হতে পারে। ফলে অফিস টাইমে আরও বেশি সংখ্যক যাত্রীদের একেবারেই নিয়ে চলে যাওয়া সম্ভব হবে।
আরও পড়ুনঃ দ্রুত শেষ হবে ৫৫০০০ কোটির প্রকল্প, বাদল অধিবেশনে করা নির্দেশ শুভেন্দু অধিকারীর
লোকাল ট্রেনের মতোই এই ট্রেনের ভাড়া অনেক কম হওয়ায় আগামী দিনে তা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই থাকবে। নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী এই হয়ড্রোজেন ট্রেনে মোট ৯০ কিলোমিটার পথ যাওয়ার জন্য ভাড়া লাগবে মাত্র ২৫ টাকা৷ এখানে বলে রাখি ৯০ কিলোমিটারের গন্তব্য স্থলে পৌঁছাতে এই ট্রেনের সময় লাগবে মাত্র ২ ঘন্টা।
অন্যদিকে এই মুহুর্তে ভারতীয় রেলের অন্যতম উচ্চ গতি সম্পন্ন ট্রেন বন্দেভারতের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। অভিজাত মানের ট্রেনগুলির তালিকায় প্রথম সারিতেই রয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস৷ মূলত কোন শ্রেণির টিকিট, কত দূরত্ব তার উপরেই এই ট্রেনের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন এই ট্রেনের সর্বোচ্চ ভাড়া ২০০০ টাকা বা তার বেশীও হয়ে থাকে।













