বাংলাহান্ট ডেস্ক: পূর্বে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর পরই সপ্তম পে কমিশন (7th pay commission) গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে পে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া। এবার সেই লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগোল রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। সপ্তম পে কমিশনের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ‘শর্তাবলি ও কার্যপরিধি’ নির্দিষ্ট করে গতকাল শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে নবান্ন (Nabanna) তরফে।
সপ্তম পে কমিশনের নিয়ম ও শর্ত ঘোষণা | 7th pay commission
বিজ্ঞপ্তিতে বেতন কাঠামো, ন্যূনতম বেতন, বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি সহ ডিএ, কেন্দ্রীয় হারের সঙ্গে বেতন স্তরের সামঞ্জস্য, অন্যান্য ভাতা, অবসরকালীন সুবিধা-সহ একাধিক বিষয়ে পর্যালোচনার কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যেই রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হবে।
গত ১৮ মে মুখ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম রাজ্য পে কমিশন গঠনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। বিজ্ঞপ্তিতে, ন্যূনতম বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে পাঁচ সদস্যের পরিবারকে ভিত্তি হিসেবে বিবেচনার পাশাপাশি ন্যূনতম বেতন নির্ধারণে ২৭০০ ক্যালোরির পরিবর্তে দৈনিক ৩৪৯০ ক্যালোরি পুষ্টির প্রয়োজনীয়তাকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব হয়েছে।
এছাড়া বার্ষিক বেতনবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ করার বিষয়টি বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। আগে বারংবার কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের বেতন, ডিএ-র ব্যবধান ঘোচানোর দাবি তুলে এসেছেন সরকারি কর্মীরা। কেন্দ্রীয় পে কমিশনের সঙ্গে রাজ্যের বেতনস্তরের সামঞ্জস্য আনার বিষয়টিরও উল্লেখ রয়েছে তাতে।
গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সর্বভারতীয় উপভোক্তা মূল্যসূচকের ভিত্তিতে মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ পরিবর্তনের পাশাপাশি সপ্তম পে কমিশন কার্যকর করার তারিখের ওপরও। এছাড়াও নতুন পে-ম্যাট্রিক্স তৈরির বিষয় সহ একই ‘পে লেভেল’এর ক্ষেত্রে সর্বভারতীয় সমতা, কেন্দ্রীয় পে কমিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাড়িভাড়া, পরিবহণ ভাতা সহ অন্যান্য ভাতাগুলো পর্যালোচনার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘যা বলেছে তা পালন না করতে পারলে জেলে..,’ DA মামলার শুনানিতে ঠিক কী হল? জানালেন আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন
বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে অবসরকালীন সুবিধাসমূহ। সেক্ষেত্রেও একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখবে কমিশন। এবার বাস্তবে তা কতটা ফলপ্রসু হয় সেদিকে তাকিয়ে সরকারি কর্মীরা। কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হয় সেদিকে নজর থাকবে কর্মচারীমহলের।













