‘বলা হয়েছিল যাঁরা কেন্দ্রীয় হারে DA এবং বেতন চাইছেন..,’ নয়া বিজ্ঞপ্তি নিয়ে খুশি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ

Published on:

Published on:

7th Pay Commission(13)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রতিশ্রুতি ছিল, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মিলবে ডিএ, আসবে সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission)। সরকার গঠনের পর সেই লক্ষ্যেই একাধিক প্রতিশ্রুতি পূরণে উদ্যোগী হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এবার নজরে পে কমিশন। আগেই রাজ্যে ঘোষণা হয়েছে নয়া পে কমিশনের। এবার সপ্তম পে কমিশনের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ‘শর্তাবলি ও কার্যপরিধি’ নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন (Nabanna)।

নয়া পে কমিশন নিয়ে পদক্ষেপ | 7th Pay Commission

বিজ্ঞপ্তিতে বেতন কাঠামো, ন্যূনতম বেতন, বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি সহ ডিএ, কেন্দ্রীয় হারের সঙ্গে বেতন স্তরের সামঞ্জস্য, অন্যান্য ভাতা, অবসরকালীন সুবিধা-সহ একাধিক বিষয়ে পর্যালোচনার কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, সরকারি কর্মীদের ডিএ নিশ্চিত করা হবে বিজেপি ক্ষমতায় এলে। পাশাপাশি ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হবে।

খুশি সরকারি কর্মীদের একাংশ | Government Employees

নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল, ক্ষমতায় এলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ডিএ সুনিশ্চিত করা হবে। সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে হবে সপ্তম পে কমিশন লাগু এবং ৬ মাসের মধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যেই রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হবে। এবার সেই লক্ষ্যে পরপর পদক্ষেপ করায় খুশি সরকারি কর্মচারীরা।

এই বিষয়ে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ আনন্দবাজার ডট কম-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার আমাদের পরামর্শ দিয়েছিল যে যাঁরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং বেতন চাইছেন, তাঁরা দিল্লি চলে যান। আমরা সেই দিল্লির সরকারকেই এখানে নিয়ে এসেছি। আর আজ প্রকাশিত রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে আমাদের বেশির ভাগ দাবিকেই মান্যতা দেওয়া হয়েছে। তাই আমরা এই বিজ্ঞপ্তি দেখে সন্তুষ্ট।”

new pay commission

আরও পড়ুন: আসছে আমূল পরিবর্তন! ডিজিটাল ব্যবস্থায় বদলে যাবে কলকাতা মেট্রোর স্টেশন পরিচালনা

ভাস্করবাবুর কথায়, “রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন আগামী দিনে বর্তমান রাজ্য সরকার যাতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পাশে থেকে তাঁদের সুখ-দুঃখের সাথী হয়। কারণ, তিনি বিরোধী দলনেতা থাকতে আমাদের যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন।’’