এখনই যাবে না ভাঙা! ফের বাড়ল অভিষেকের দলীয় কার্যালয়ের স্থগিতাদেশ

Published on:

Published on:

Calcutta High Court upholds Interim stay order for Abhishek Banerjee's Party Office in Amtala
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে আরও একবার স্বস্তিতে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কিছুদিন আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগণার আমতলায় অভিষেকের পাঁচতলার অফিস ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। যদিও এই দলীয় কার্যালয় ভাঙার ওপর আগেই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার আরও একবার এই স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হল।

অভিষেকের দলীয় কার্য্যালয়ে স্থগিতাদেশ বজায় রাখল কলকাতা হাইকোর্ট

সূত্রের খবর বৃহস্পতিবার এই স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়িয়ে আদালত জানিয়ে দিয়েছে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয়ে কোনরকম ভাঙচুর চালানো যাবে না। তবে তার আগে অর্থ্যাৎ আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আরও একবার এই মামলা শুনবে আদালত।

প্রসঙ্গত ঘটনার সূত্রপাত হয় জুলাই মাসে করা এক ব্যাক্তির অভিযোগকে কেন্দ্র করে। গত মাসের ১৭ তারিখ সুশান্ত মণ্ডল নামে একজন ব্যক্তি অভিযোগ করেছিলেন আমতলায় অভিষেকের দলীয় কার্যালয়টি অবৈধ ভাবে তৈরি হয়েছে ।

আরও পড়ুনঃ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করছে গোটা দেশের যুবসমাজ! যাদবপুর প্রসঙ্গে সাফ জানালেন সৃজন

অভিযোগ মিলতেই দ্রুত পদক্ষেপ নেয় রাজ্য প্রশাসন। একেবারে রাতারাতি অর্থ্যাৎ একদিনের মধ্যেই অর্থ্যাৎ ১৮ জুলাই বুলডোজার চালানো হয় অভিষেকের দফতরের একটি অংশে। তারপরেই রবিবারের ছুটির দিনেই এজলাস বসিয়ে দলীয় কার্যালয় ভাঙার ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চে বৃহষ্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল।

অভিষেকের সংস্থা লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের তরফে আইনজীবী কিশোর দত্ত এই মামলায় সওয়াল করেন। আদালতে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৫০৯ এবং ৫১২ নম্বর দাগের জমির উপর অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ তোলা হলেও বুলডোজার চলেছে ৫০৭ নম্বর দাগের জমি, যা তাঁর মক্কেলের দফতর। এমনকি এই কারণ দেখিয়ে এর জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি রেখেছেন আইনজীবী দত্ত।

অন্যদিকে রাজ্যের তরফে বৃহষ্পতিবার এই মামলার শুনানিতে হাজির ছিলেন অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। আদালতের কাছে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়ে তিনি বলেছেন, এই মামলার শুনানির জন্য রাজ্যকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হোক। শেষ পর্যন্ত উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারপতি ঘোষ স্থগিতাদেশের মেয়াদ বা়ড়িয়ে দিয়েছেন।