বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্য সরকারি কর্মীদের (Government Employees) জন্য সুখবর। প্রায় ৬ বছর আগে, করোনা পরিস্থিতিতে জারি করা একটি বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হল। সম্প্রতি রাজ্য অর্থ দফতরের (West Bengal Finance Department) তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে একথা জানানো হয়েছে। এতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অনেকে।
সরকারি কর্মীদের জন্য বড় বিধিনিষেধ উঠে গেল | (Government Employees)
করোনা পরিস্থিতিতে খরচ কমানোর জন্য বেশ কিছু বিধিনিষেধ লাগু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। ২০২০ সালের ২ এপ্রিল জারি করা এক বিজ্ঞপ্তির একটি অংশে বলা হয়েছিল, কম্পিউটার বা মোটর সাইকেল কেনার জন্য সরকারি কর্মীরা কোনও অগ্রিম টাকা নিতে পারবেন না। এবার আংশিকভাবে সেই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হল।
আরও পড়ুনঃ ৫ লক্ষের ফ্রি চিকিৎসা পাচ্ছেন না? ঘরে বসেই জানান অভিযোগ, কোথায়, কীভাবে জানুন
সম্প্রতি অর্থ দফতরের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকারি কর্মীদের মোটর সাইকেল কেনার ক্ষেত্রে অগ্রিম নেওয়ার উপর আর কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না। তবে ৬ বছর আগে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে কম্পিউটার সহ আরও কিছু জিনিস কেনার ক্ষেত্রে যে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল, সেগুলি কার্যকর থাকবে।
এছাড়া ২০২০ সালে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছিল, পড়াশোনা, চিকিৎসা ও বিয়ে, এই তিন জরুরি পরিস্থিতিতে জিপিএফ তহবিল থেকে টাকা তুলতে পারবেন কর্মীরা। এদিকে পঞ্চম বেতন কমিশনের অধীন বকেয়া ডিএর একটি অংশ রাজ্যের গ্রুপ এ, বি ও সি কর্মীদের জিপিএফ তহবিলেই জমা পড়েছে।
ভোটের আগে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল, দু’বছরের মধ্যে ওই টাকা তোলা যাবে না। গত মঙ্গলবার ডিএ মামলার শুনানির সময় বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে উত্থাপন করা হলে বিচারপতিরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, তাঁদের নির্দেশে এমন কিছু বলা ছিল না। আইনজ্ঞ মহলের অনুমান, পরবর্তীতে শুনানিতে রাজ্যকে এর ব্যাখ্যা দিতে হতে পারে।

এছাড়া পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কর্মী সংগঠনের বৈঠকে পিএফ তহবিলে জমা হওয়া বকেয়া ডিএ তোলার প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হয়েছিল। এর জন্য চলতি আর্থিক বছর অবধি সময় চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এর মধ্যেই দেখা যায়, জিপিএফ তহবিল থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, তা এখনও কার্যকর রয়েছে।
এই আবহে মোটর সাইকেল কেনার জন্য সরকারি কর্মীদের অগ্রিম টাকা নেওয়া সংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে দিল রাজ্য সরকার। এতে বহু সরকারি কর্মচারীর সুবিধা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।













