গ্রান্ট ইন কর্মীদের জন্য বড় খবর! বকেয়া DA নিয়ে মনিটরিং কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত, থাকবেন ভাস্কর ঘোষ

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ফের চর্চায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলা। মামলার শেষ শুনানিতে রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগ সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) নিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন উচ্চ পর্যায়ের কমিটিকে জানানোর কথা বলেছে শীর্ষ আদালত। আন্দোলনকারী সংগঠনগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সশরীরে বসে আগামী ৮ সপ্তাহের মধ্যে একটি পরিপূরক রিপোর্ট দিতে মনিটরিং কমিটিকে রিপোর্ট দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। (DA Case Update)

মনিটরিং কমিটির বৈঠকের দিকে তাকিয়ে গ্রান্ট ইন কর্মীরা | Dearness Allowance

অমীমাংসিত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য সর্বদলীয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেখানে বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের একাধিক প্রতিনিধি হাজির থাকবেন। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে ভাস্কর ঘোষ ও অভিজিৎ উপাধ্যায়, কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ-এর তরফে ফিরদৌস শামিম, গোপা বিশ্বাস এবং শ্যামল কুমার মিত্ররা উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়া নিউ ইউনিটি ফোরামের তরফে থাকবেন করুণা নন্দী, বিপুল কুমার ও মৃন্ময় শ্রীমানী ও
ওল্ড ইউনিটি ফোরামের তরফে প্রবীর চ্যাটার্জি এবং দেবপ্রসাদ হালদার বৈঠকে হাজির থাকবেন। উল্লেখ্য, মামলার শেষ শুনানিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে, রাজ্যের গ্র্যান্ট-ইন-এইড (Grant-in-Aid) আওতাভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মীরা বকেয়া ডিএ-র বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।

যৌথ মঞ্চের আইনজীবী বলেন, সরকারি পোষিত কর্মীরা এখনও বকেয়ার কোনো অংশ পাননি। এদিকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে দাবি করেন, সরকার ইতিমধ্যেই বকেয়া বাবদ ৭,৭০০ কোটি টাকা বণ্টন করে দিয়েছে। ৬৫ শতাংশ বকেয়া ইতিমধ্যে দেওয়া হয়ে গিয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

dearness allowance(258)

আরও পড়ুন: ‘অন্নপূর্ণার’ নাম গুলিয়ে ফেললেন মমতা? তোপ ঋতব্রতর, সরকারকে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

তবে এত পরিমাণ বকেয়া মেটানো হলেও কেন, গ্র্যান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সম্পূর্ণরূপে বাদ পড়লেন সেই প্রশ্ন উঠছে। মনিটরিং কমিটির পরবর্তী এই বিষয় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে জট খোলার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। মনিটরিং কমিটির বৈঠকে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় আপাতত সেই অপেক্ষায় গ্র্যান্ট-ইন-এইডভুক্ত কর্মীরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো ৮ সপ্তাহের মধ্যে মনিটরিং কমিটি যে সাপ্লিমেন্টরি রিপোর্ট জমা করবে তার ওপর বিবেচনা করে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।