সুপ্রিম কোর্টের শুনানির মধ্যেই বড় অ্যাকশন! ২০ NCPI সাংসদকে নোটিশ, ৭ দিনের সময়

Published on:

Published on:

Lok Sabha Speaker issues notices to 20 NCPI MPs
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : দলত্যাগ বিরোধী আইন ঘিরে তৃণমূল ও NCPI-এর মধ্যে টানাপড়েন এবার পৌঁছল লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার দফতরে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২০ জন এনসিপিআই সাংসদকে (NCPI MPs) নোটিশ পাঠানো হয়েছে। প্রত্যেককে ৭ দিনের মধ্যে নিজেদের অবস্থান জানাতে বলা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলার দিনই নোটিশগুলি পাঠানো হয়েছিল।

২০ জন NCPI সাংসদকে (NCPI MPs) নোটিশ স্পিকারের

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে বিষয়টি সামনে আসে। প্রধান বিচারপতির এজলাসে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, স্পিকার দফতর ইতিমধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের ভিত্তিতে নোটিশ জারি করেছে। শীর্ষ আদালতে শুনানি চলাকালীনই লোকসভার স্পিকার দফতর থেকে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের বিরুদ্ধে প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়।

তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নোটিশ নিয়ে তৈরি হয় ধোঁয়াশা। NCPI সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তৃণমূলের সংসদীয় দলের তরফে জানানো হয়, তাঁদের কাছে এমন কোনও নোটিশের খবর নেই। NCPI-এর সাংসদদের কাছ থেকেও বিকেল পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও স্পষ্ট উত্তর পাননি। বুধবার সকালে‌ তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে স্পিকার দফতরের পাঠানো চিঠির প্রতিলিপি প্রকাশ করা হয়।

উল্লেখ্য, সেই নথি সামনে আসার পর জানা যায়, ২৫ সেপ্টেম্বর, সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি চলার দিনই ২০ জন সাংসদের উদ্দেশে আলাদা করে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে দলত্যাগবিরোধী আইনে তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি তোলা হয়েছে। সেই আবেদনের বিষয়ে প্রত্যেক সাংসদের নিজস্ব বক্তব্য কী, তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আলাদাভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

Lok Sabha Speaker issues notices to 20 NCPI MPs

আরও পড়ুন : পাহাড়ের কোলে বা সমুদ্র তীরে বিয়ে করতে চান? বাংলা হবে সেরা অপশন, নয়া ভাবনা সরকারের

২০ জন NCPI-এর সাংসদ ভবিষ্যৎ শুধু রাজনৈতিক চাপানউতোরে আটকে নেই, সংসদীয় প্রক্রিয়াতেও তা গড়িয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে শুনানির পাশাপাশি লোকসভার স্পিকার দফতরের নোটিশ নতুন মাত্রা যোগ করেছে গোটা ঘটনায়। আগামী ৭ দিনের মধ্যে ২০ সাংসদের জবাব পাওয়ার পর স্পিকার দফতর কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।