বাংলা হান্ট ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গড়করি এবার একটি বড় দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের বৈদ্যুতিক যানবাহন তথা EV (Electric Vehicles) বাজারের মূল্য ২০ লক্ষ কোটি টাকা হবে। যার মাধ্যমে ৫ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি (Nitin Gadkari) আরও বলেন যে, সরকারের লক্ষ্য হল সরবরাহ ব্যয় তথা লজিস্টিকস ৮ শতাংশে নামিয়ে আনা। কারণ, এটি ছাড়া গ্লোবাল মার্কেটে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হবে। মূলত, CII-ITC সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন যে, বর্তমানে ভারতে (India) ৫৭ লক্ষ বৈদ্যুতিক যান রেজিস্টার্ড রয়েছে। যা বাজারের ৭ শতাংশ। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের EV বাজার ২০ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছবে। এর মাধ্যমে ২০৩০ সাল নাগাদ ৫ কোটি কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে।
২০৩০-এর মধ্যেই ভারতের EV (Electric Vehicles) বাজার হবে ২০ লক্ষ কোটির!
লক্ষ্য প্রথম স্থান: জানিয়ে রাখি যে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ভারতে প্রতি বছর ১ লক্ষ ইলেকট্রিক বাসের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এখন বছরে মাত্র ৫০-৬০ হাজার EV বাস উৎপাদন করার ক্ষমতা রয়েছে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে ভারতের অটোমোবাইল শিল্পকে বিশ্বে এক নম্বর করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। ভারতীয় অটোমোবাইল শিল্পের এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে. কারণ দেশে দক্ষ কর্মশক্তি বিদ্যমান। সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, ভারতের ২ টি বৃহত্তম টু-হুইলার প্রস্তুতকারী সংস্থা, বাজাজ অটো এবং হিরো মোটোকর্প তাদের মোট উৎপাদনের ৫০ শতাংশেরও বেশি রফতানি করে। নিতিন গড়করি বলেন, ‘আগামী ৫ বছরে আমাদের লক্ষ্য হল ভারতের অটোমোবাইল শিল্পকে বিশ্বে এক নম্বর করে তোলা। এটা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়।’

এখন প্রথম স্থানে কে: উল্লেখ্য যে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেছেন, ভারতে উৎপাদিত যানবাহনের মান উন্নত এবং দাম কম। যে কারণে সমস্ত বড় অটোমোবাইল কোম্পানিগুলির দেশে উপস্থিত রয়েছে। তাঁর মতে ‘আমি যখন পরিবহণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখন ভারতীয় অটোমোবাইল শিল্পের আকার ছিল ১৪ লক্ষ কোটি টাকা। এখন ভারতীয় অটোমোবাইল শিল্পের আকার ২২ লক্ষ কোটি টাকা।’
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনার ১২ বছর পূর্ণ! ৫৯ কোটি মানুষ খুলেছেন জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্ট
বর্তমানে আমেরিকার অটোমোবাইল শিল্পের আকার ৭৮ লক্ষ কোটি টাকা। এরপরেই রয়েছে চিন, ৪৭ লক্ষ কোটি টাকা। তিনি বলেছেন যে, ভারত অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ২২ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করছে এবং এর কারণে দূষণের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: আরও গতি পাবে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ লক্ষ্য! আগামী ৪ বছরেই ভারতে আসবে ৭ লক্ষ কোটির জাপানি ফান্ড
লজিস্টিকস খরচ কমিয়ে আনা: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হলো ভারতের লজিস্টিকস খরচ ৮ শতাংশে নামিয়ে আনা। এটি ছাড়া গ্লোবাল মার্কেটে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হবে। IIT চেন্নাই, IIT কানপুর এবং IIM বেঙ্গালুরুর একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে যে, ভারতে এক্সপ্রেসওয়ে এবং অর্থনৈতিক করিডোর নির্মাণের ফলে দেশের লজিস্টিক খরচ ১৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নেমে এসেছে।













