অন্নপূর্ণার টাকা থেকে বঞ্চিতদের জন্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কী জানালেন ?

Published on:

Published on:

CM Suvendu Adhikari makes big announcement about Annapurna Yojana
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : নন্দীগ্রামের সভা থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana) নিয়ে অপেক্ষায় থাকা মহিলাদের জন্য বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, বর্তমানে যাঁরা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, তাঁদের পাশাপাশি আবেদন করে এখনও টাকা না পাওয়া যোগ্য মহিলাদেরও ধাপে ধাপে এই আর্থিক সহায়তার আওতায় আনা হবে। নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ শেষ হলেই তাঁদের অ্যাকাউন্টেও টাকা পৌঁছবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)

মহিলাদের আর্থিকভাবে কিছুটা স্বনির্ভর করে তুলতে অন্নপূর্ণা যোজনায় প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ইতিমধ্যেই বহু মহিলা এই সুবিধা পাচ্ছেন। সংসারের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে নিয়মিত এই অর্থ তাঁদের কাজে আসছে। তবে আবেদন করেও অনেকের অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা পৌঁছয়নি।

আবেদন যাচাই, প্রয়োজনীয় নথি পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ সম্পূর্ণ না হওয়ায় তাঁদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। নন্দীগ্রামেও এমন বেশ কয়েক হাজার আবেদনকারী রয়েছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই প্রায় ৬৭ হাজার মহিলা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র আওতায় এসেছেন। তাঁরা নিয়মিত মাসিক ৩ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন। অন্যদিকে, আরও প্রায় ৫ হাজার আবেদনকারীর ক্ষেত্রে এখনও যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে এই মহিলারা কবে থেকে প্রকল্পের টাকা পাবেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা।

CM Suvendu Adhikari makes big announcement about Annapurna Yojana

আরও পড়ুন : কৃষক বন্ধু প্রকল্পে রি-ভেরিফিকেশন শুরু! কী কী নথি লাগছে, ফর্ম কোথায় জমা দেবেন জানুন

সোমবার এক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাকি থাকা আবেদনগুলি যাচাই করে দেখা হবে। নিয়ম মেনে আবেদন করা এবং যোগ্য বলে বিবেচিত হলে সংশ্লিষ্ট মহিলাদেরও প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নন্দীগ্রামের ৬৭ হাজার মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে। এখনও বাকি রয়েছে পাঁচ হাজার জন। তাদের আবেদন যাচাইয়ের পর তারাও পেয়ে যাবে।” দীর্ঘদিন ধরে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা আবেদনকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।